কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি
Led Bottom Ad

সিন্ডিকেটে প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিদের নাম

কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় গরুর চোরাচালান বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কুলাউড়া

২২/০৪/২০২৬ ১০:৩২:৪৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারতীয় গরুর চোরাচালান আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। প্রতিদিন রাতের আঁধারে বা ভোরবেলা উপজেলার দত্তগ্রাম, লালারচকসহ বিভিন্ন রুট দিয়ে অবৈধভাবে বিপুল সংখ্যক গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বিশাল চোরাচালান সিন্ডিকেটের পেছনে সীমান্ত এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জড়িত রয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের চারিয়ার ঘাট, হাসারকোনা, কালারায়ের চর, দত্তগ্রাম এবং কর্মধা ও পৃথিমপাশার গহিন পাহাড়ি এলাকাগুলো এখন চোরাচালানের ‘হটস্পট’। চোরাকারবারিরা কোথাও কাঁটাতারের বেড়া কেটে, আবার কোথাও মই ব্যবহার করে গরু ও মাদক পাচার করছে। অনেক সময় বিজিবি সদস্যরা চোরাই গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিরা সেগুলোকে 'দেশি গরু' বলে দাবি করে ছাড়িয়ে নেওয়ার সুপারিশ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব গরু পরবর্তীতে রবিরবাজার বা ব্রাহ্মণবাজারের মতো স্থানীয় হাটগুলোতে কৌশলে রসিদের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি পৃথক অভিযানে ১৯টি ভারতীয় গরু আটক করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। চোরাচালান রোধে জিরো লাইনের পাশে অতিরিক্ত চেকপোস্ট ও টহল জোরদার করা হয়েছে। কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা জানান, ঈদ উপলক্ষে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সড়কে নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। চোরাচালান প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কথা জানানো হয়েছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad