শুরু হলো মনোনয়ন সংগ্রহ
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে সিলেটে প্রার্থীদের তৎপরতা বৃদ্ধি
সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সিলেটের অন্তত তিনজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তাছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট বিভাগের চার জেলায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তৎপরতা বেড়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, প্রার্থী বাছাইয়ে দলের প্রতি আনুগত্য, অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা এবং স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্ব পাবে। ইতিমধ্যে আগ্রহীরা বায়োডাটা জমা দেওয়ার পাশাপাশি নীরবে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।
দলটির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সিলেট বিভাগ থেকে শুরুতে অন্তত ১৫ জনের নাম আলোচনায় ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাঁচজনের নাম বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তাঁরা হলেন—জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক শাম্মী আক্তার, প্রয়াত বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর কন্যা ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেবুন্নাহার সেলিম, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজির হোসেনের সহধর্মিণী সালমা নজির এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহসভাপতি সামিয়া বেগম চৌধুরী ও মৌলভীবাজারের সাবেক এমপি খালেদা রব্বানী। তবে খালেদা রব্বানী বর্তমানে শারীরিক ভাবে অসুস্থ রয়েছেন। তাঁর মেয়ে মৌলভীবাজারের শেগুফতা রাব্বানী,সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হাফেজা ফেরদৌস লিপন, সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও শ্রম ও কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর স্ত্রী সামা হক চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের কন্যা সৈয়দা আদিবা হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা সাবিনা খান পপি, সিসিকের সাবেক প্যানেল মেয়র অ্যাডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ, , বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মরহুম দিলদার হোসেন সেলিমের সহধর্মিণী জেবুন্নাহার সেলিম ও প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পুত্রবধূ ও সংসদ সদস্য নাসের রহমানের সহধর্মীনি রোজিনা নাসির।
শাম্মী আক্তার :
সংরক্ষিত নারী আসনে সিলেট বিভাগে যে ৫ জনের নাম আলোচনার শীর্ষে,তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন শাম্মী আক্তার। তিনি দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক। হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক। দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সক্রিয়। কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ সুদৃঢ়। মিডিয়া ও নীতিনির্ধারণী পরিসরেও পরিচিত মুখ। নির্বাচনি সময়ে সাংগঠনিক সমন্বয়ে ভূমিকার কথা বলছেন নেতাকর্মীরা। তার পক্ষে তৃণমূলের একাংশ সরব।
সামিরা তানজিন চৌধুরী:
নারী এমপির তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশিক্ষিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য তার বড় শক্তি। সামিরা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ও বহুল আলোচিত রাজনীতিক প্রয়াত হারিছ চৌধুরীর কন্যা। তিনি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের সিনিয়র কোর্টের প্র্যাকটিসিং সলিসিটর এবং মানবাধিকার, সিভিল লিটিগেশন ও গভর্ন্যান্স বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে দীর্ঘ আইনি অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তিনি দলের ত্যাগী রাজনীতির উত্তরসূরি। তিনি বলেন, দায়িত্ব পেলে নারী ক্ষমতায়ন, আইনের শাসন ও স্বচ্ছ প্রশাসন প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে চাই।
জেবুন্নাহার সেলিম :
জেবুন্নাহার সেলিম। তিনি জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। সাবেক এমপি মরহুম দিলদার হোসেন সেলিমের সহধর্মিণী। দীর্ঘদিন জেলা রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকায় অভিজ্ঞ প্রার্থী হিসেবে তিনি বিবেচিত হচ্ছেন। মাঠের রাজনীতিতেও তিনি বেশ সক্রিয়। জেলা মহিলা দলে দায়িত্ব পালনকালীন দলকে সূসংগঠিত করতে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন। তৃণমূলেও এই প্রার্থীর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তাকে মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রয়াত সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিমের প্রতি সুবিচার করা হবে।
সালমা নজির:
সালমা নজির। তিনি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি মরহুম নজির হোসেনের সহধর্মিণী। নির্বাচনি সময়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা ও ভাটি অঞ্চলে সাংগঠনিক যোগাযোগের কারণে তার নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি মাঠের রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেন। স্বামীর নির্বাচনী আসনে দলের পক্ষে গণ-সংযোগ, মত-বিনিময় সভা করে দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা রেখেছেন। তাছাড়া প্রয়াত স্বামী সংসদ সদস্য নজির হোসেনের আকাশসম জনপ্রিয়তা থাকায় দলের নেতাকর্মীদের অধিকাংশই সালমা নজিরের প্রতি আস্থাশীল।
সামিয়া বেগম চৌধুরী:
সামিয়া চৌধুরী সিলেটের একজন শিক্ষিত, সচেতন ও সমাজমুখী ব্যক্তিত্ব, যিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে আসছেন। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এম.সি. কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর থেকেই তিনি সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত আছেন। তিনি কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি । সিলেটের সংরক্ষিত নারী আসনে অনেকেই এই প্রার্থীতে যোগ্য হিসেবে বিবেচনায় রাখছেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ—এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন। ছাত্রজীবন থেকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আদর্শে পথ চলা সামিয়া চৌধুরী দলের দু:সময়েও সিলেটের রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
সৈয়দা আদিবা হোসেন:
বিএনপির নেত্রী সৈয়দা আদিবা হোসেন শনিবার (১১ এপ্রিল) মনোনয়ন ফরম জমা দেন তিনি। এর আগে শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করেন। সৈয়দা আদিবা হোসেন সিলেট-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মকবুল হোসেন–এর কন্যা।
তিনি সাম্প্রতিক সময়ে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন আদিবা হোসেন। তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও নারীদের সহায়তায় কাজ করা কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
সাবিনা খান পপি :
আলোচনায় আছেন সাবিনা খান পপি। তিনি যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত কমর উদ্দিনের কন্যা। দীর্ঘদিন প্রবাস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনিও তার বাবার মতো বিএনপির আদর্শের পথ ধরে আমৃত্যু জনসেবা করে যেতে চান। সিলেট অঞ্চল প্রবাসী প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় তাকে সম্ভাব্য শক্ত প্রার্থী হিসেবে দেখছেন অনেকে।
শেগুফতা রব্বানী :
মৌলভীবাজারের সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর নাম মেয়ে শেগুফতা রব্বানী। তিনি বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি মনোনয়ন ফর্ম জমা দেন। শেগুফতা রাব্বানীর জন্ম ও বেড়ে ওঠা মৌলভীবাজারেই। ছোটবেলা থেকেই তিনি রাজনীতির পরিবেশে বড় হয়েছেন এবং এলাকার মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি জানান, মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা সড়কস্থ তাদের বাসাটি একসময় জেলা বিএনপির কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল। সেখান থেকেই দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। তার মা খালেদা রব্বানী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং চারবার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
হাফেজা ফেরদৌস লিপন:
হাফেজা ফেরদৌস লিপন ১৯৮৮ সালে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সংগঠনের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৯০ সালে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন। ১৯৯১ সালে জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হন তিনি। ২০১২ এবং ২০১৭ সালে হওয়া জেলা বিএনপির কমিটিতে মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ২০১৯ এবং ২০২২ দুই মেয়াদে ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে সুনামমগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্য হিসেবে কাজ করছেন এই নারী নেত্রী। অ্যাডভোকেট হাফেজা ফেরদৌস লিপন সুনামগঞ্জের সবচেয়ে পুরোনো বিদ্যাপীঠ আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতনের অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
রোকসানা বেগম শাহনাজ :
অ্যাডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ। সতেরো বছরেরও বহু আগে বি এনপি যখন বিরোধী দলে নিপীড়িত ছিলো তখনও এই একজন সংগ্রামী নেত্রীর দখলে ছিলো সিলেটের রাজপথ।মামলা , হামলা, হুমকি কোনকিছুই পরোয়া না করা একটি বিপ্লবী কন্ঠস্বর,সাহসী এবং সংগ্রামী সৈনিক, যার নাম এডভোকেট রোকসানা। রোকসানা বেগম শাহনাজ ছিলেন সিলেট ল’ কলেজের সাবেক নির্বাচিত ভিপি, সিলেট মহানগর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অধিকারী এই নেত্রী সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে ২০০৩ সালে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ ছাড়া তিনি ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছেন এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে তিনবার প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি সিলেটের একজন পরিচিত আইনজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি আইন ও রাজনীতির দুই অঙ্গনেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি বিগত দিনে দলীয় কর্মসূচি, আন্দোলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তাছাড়া সিলেট অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের একটি পরিচিত মুখ তিনি। নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে উদীয়মান ও প্রভাবশালী কণ্ঠ। তিনি আইন ও রাজনীতির সমন্বয়ে কাজ করে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন।
এছাড়া জেলা ও কেন্দ্র মিলিয়ে আরও কয়েকজন নারী নেত্রী লবিংয়ে। কেউ সংগঠনের পুরোনো মুখ। কেউ নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। কেউ পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারক। কেউ আবার আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত কর্মী। মোটামুটি এক ডজন নাম ঘুরছে আলোচনায়। দলীয় হাইকমান্ড এখন মাঠের রিপোর্ট নিচ্ছে। এমপিদের মতামতও নেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিলেট বিভাগে এবার ভারসাম্য রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। সিলেট-সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার এই জোনে সমন্বয় চাইবে কেন্দ্র। নারী সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব, প্রবাস সংযোগ, শিক্ষিত নেতৃত্ব ও তৃণমূল গ্রহণযোগ্যতা এসব কিছু বিবেচনায় আসতে পারে। স্বাধীনতার পর থেকে চার জেলা মিলিয়ে দুইজন সংরক্ষিত নারী এমপি হয়ে আসছেন সিলেটে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জি কে গউছ বলেন, সিলেটের চার জেলায় কয়জন সংরক্ষিত এমপি হবেন তা দলের হাইকমান্ড দেখছে। কারণ জেলায় জেলায় এমপি দিতে হবে, নারী এমপি দিতে হবে- এমন কোনো বিধান নেই।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল।
ডি আর ডি
মন্তব্য করুন: