সিলেটে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক চাহিদা
Led Bottom Ad

সংকটের আশঙ্কায় বেশি কিনছেন গ্রাহকরা

সিলেটে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক চাহিদা

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২২/০৪/২০২৬ ১১:৪৪:০৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটে জ্বালানি সংকটের খবরের মধ্যে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বিক্রি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের তুলনায় পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিলেট বিভাগ পেট্রোল পাম্প অ্যান্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী জানান, সংকটের আগে যেখানে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার লিটার পেট্রোল বিক্রি হতো, বর্তমানে সেখানে পাঁচ থেকে ছয় হাজার লিটার বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে বেড়েছে অকটেন ও ডিজেলের চাহিদাও।

নগরীর উত্তরা পেট্রোলিয়াম, শাহজালাল সিএনজি স্টেশন এবং নর্থইস্ট অয়েল স্টেশনসহ বেশ কিছু পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, সবখানেই যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। বিশেষ করে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে অটোরিকশা ও বাসের ভিড় সবচেয়ে বেশি। গ্রাহকদের অভিযোগ, দাম বাড়ার পর এবং মাঝেমধ্যে তেল না পাওয়ার আশঙ্কায় তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করে রাখছেন। পাঠানটুলা এলাকায় অকটেন কিনতে আসা মোটরসাইকেল চালক এমদাদ হোসেন জানান, ভবিষ্যতে সংকট হতে পারে এমন আশঙ্কায় তিনি চাহিদার চেয়ে বেশি তেল কিনেছেন।

জ্বালানি ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা বিপিসি থেকে চাহিদামতো সরবরাহ পাচ্ছেন না। সিলেট বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ১১ লাখ লিটার জ্বালানির চাহিদা থাকলেও সরবরাহ কম থাকায় অনেক পাম্প নির্ধারিত সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তবে যমুনা অয়েল লিমিটেডের বিপণন কর্মকর্তা বেনজির আহমদ জানিয়েছেন, ডিপোতে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। সরকারি রেশনিং ব্যবস্থা মেনেই পাম্পগুলোতে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এদিকে জ্বালানির দাম বাড়ায় চালকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে, যার প্রভাব পড়ছে গণপরিবহনের ভাড়ার ওপর।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad