মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক গবেষণা স্বীকৃতি
Led Bottom Ad

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক গবেষণা স্বীকৃতি

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৪/০১/২০২৬ ১৩:১০:০৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা অঙ্গনে অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সোসাইটি আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক রিসার্চ সামিট ২০২৬’-এ তাদের আটটি গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। এত বেশি শিক্ষার্থীর গবেষণাপত্রের গৃহীত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন গৌরব বয়ে এনেছে।

সম্মেলনটি মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা—শাহ সুলতানা তাকিয়া, শাহরিয়ার আলম মেহেদী তাপাদার, জয়ন্ত সেন, মো. তারেক মিয়া, শাহ ফজলে ইলাহি, রায়হান আহমদ তালুকদার, নুসরাত জাহান দোহা, খাতুনে জান্নাত ফাতেমা চৌধুরী সোনামণি, মনোয়ার আহমেদ তারেক, হোসাইন আহমেদ, নূরাহ সহিদ জোয়ারদার, মোছা. সামিয়া আক্তার হাফসা এবং মো. বিপ্লব আহমেদের গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ নির্বাচিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সাংবিধানিক আইন, মানবাধিকার, পরিবেশ ন্যায়বিচার, লিঙ্গ সমতা, মানসিক স্বাস্থ্য, চিকিৎসা অবহেলা ও বিচারিক উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণা করেছেন।

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসরাত ইবনে ইসমাইল শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে অভিনন্দিত করেছেন। শিক্ষার্থীরাও তাঁদের অব্যাহত সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

একাডেমিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক শেখ আশরাফুর রহমান, আইন ও বিচার বিভাগের প্রধান ড. এম জেড আশরাফুল ও অন্যান্য শিক্ষকদেরও শিক্ষার্থীরা কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। শিক্ষকের দিকনির্দেশনা, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ এবং নিরবচ্ছিন্ন পরামর্শের ফলেই শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পর্যায়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এবার আরেকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাদের গবেষণাপত্র গৃহীত হওয়া প্রমাণ করে, সৃজনশীল চিন্তা ও একাডেমিক উৎকর্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণরা বিশ্বমানের গবেষক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad