দাবি ফাহিম আল্ চৌধুরীর
‘কেয়ামত পর্যন্ত শাহজালাল (রঃ) মাজারের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করতে হবে’
দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে জেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সর্বসাধারণের সামনে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগের টাকা গণনার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে শুরু হওয়া প্রশাসনের এই স্বচ্ছ পদক্ষেপটি সিলেটের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সর্বশেষ মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে মাজারের দানবাক্সগুলো খুলে গণনা করে নগদ *৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া গেছে। বিপুল এই অর্থ বর্তমানে সরকারি হেফাজতে ব্যাংকে নিরাপদে জমা রাখা হয়েছে।
এই ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিল্পপতি ফাহিম আল্ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, মাজারের অর্থের পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিয়ামত পর্যন্ত এই টাকা একটা একটা করে প্রকাশ্যে গণনা করতে হবে। কারো এই নিয়ম পছন্দ না হলে তাকে ঘরে বসে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি মাজারের খাদেমদের বিরুদ্ধে বিগত ৭০০ বছর ধরে বিপুল অর্থ লোপাট ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তোলেন। ফাহিম আল্ চৌধুরী দাবি করেন, মাজারের এই অনুদানের টাকা কোনো ব্যক্তির পকেটে না গিয়ে জনকল্যাণে ব্যয় হওয়া উচিত। এই অর্থ দিয়ে একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ এবং দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
নীরব চাকলাদার
মন্তব্য করুন: