মায়ের কাছে ফেরা হলো না স্নেহা’র!
মাকে দেওয়া কথা রাখতে পারলো না স্নেহা চক্রবর্তী। একটি সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল পরিবারকে দেওয়া স্নেহার প্রতিশ্রুতি। স্বপ্ন পুরণের শুভারম্ভের দিনই নিষ্টুর পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাকে। নির্বাক স্নেহার মা-বাবা। কাঁদতেও পারছেন না!। চোখের জল একেবারেই শুকিয়ে গেছে তাদের। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪- ২০২৫ শিক্ষা বর্ষের সি এস ই , কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হয়েছিল স্নেহা। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আনন্দ চিত্তে যখন বাড়ি ফেরার কথা, তখনোই গতিপথ পাল্টে গেল জীবনের। বুধবার সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ জনের মধ্যে স্নেহাও চলে যায় না ফেরার দেশে। ভর্তি শেষে একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা করে বাড়ি যাবার কালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সে শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস গ্রামের বিপুল চক্রবর্তীর মেয়ে।
এদিকে, স্নেহা চক্রবর্তীর মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড মোঃ নিজাম উদ্দিন। তিনি কিছু বলতে গিয়েও বারবার চোখের কোনে জল ভরে আসছিল। শোকাহত হৃদয় থেকে তিনি গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি জানান স্নেহা চক্রবর্তী আজ বুধবার সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪- ২০২৫ শিক্ষা বর্ষের সি এস ই , কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হয়ে বাড়ী ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অঙ্কুরেই তার স্বপ্ন বিনষ্ঠ হয়ে গেল, যা পূরন হবার নয়।
উল্লেখ্য সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই শিক্ষার্থীসহ আজ ৩ সিএনজি যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার ( ৬ আগস্ট ) দুপুরে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শহরের আরপিনগর এলাকা দোলোয়ার হোসেনের মেয়ে আফসানা খুশী,ও সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর স্নেহা চক্রবর্তী, সে শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস গ্রামের বিপুল চক্রবর্তীর মেয়ে। অপর নিহত শহরের আলীপাড়ার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম। এঘটনায় গুরুত্বর আহত আরও দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটের এম জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ডি আর ডি
মন্তব্য করুন: