সিলেটে বাস পোড়ানো ও হত্যা মামলায় ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ নেতাকর্মী খালাস
Led Bottom Ad

সিলেটে বাস পোড়ানো ও হত্যা মামলায় ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ নেতাকর্মী খালাস

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৩/০৫/২০২৬ ১০:৫৫:১৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

চিত্রনায়িকা শাবনূরের পিতার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত সেই বাস পোড়ানো ও হত্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির তৎকালীন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে সিলেটের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ আদালত)-এর বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাসের ভেতরে দগ্ধ হয়ে কাজী নাছির (৭০) নামে এক বৃদ্ধ যাত্রী নিহত হন, যাঁকে পরবর্তীতে চিত্রনায়িকা শাবনূরের বাবা হিসেবে দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় দক্ষিণ সুরমা থানায় হত্যা ও দ্রুত বিচার আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে পুলিশ ও এক পরিবহন ব্যবসায়ী। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আজ এম ইলিয়াস আলী, অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ এবং নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ আসামিকে নির্দোষ সাব্যস্ত করে খালাস প্রদান করেন।

খালাস পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ বলেন, "বিরোধী দলের রাজনীতি করার কারণেই আমাদের এই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছিল। আদালতের রায়ে আজ সেটি প্রমাণিত হয়েছে। তবে চার মাস বিনা দোষে জেল খাটার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?" আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ। দীর্ঘদিন পর এই আলোচিত মামলার নিষ্পত্তিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন খালাসপ্রাপ্ত নেতাকর্মী ও তাঁদের আইনজীবীরা।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad