৪ বছরেও শুকায়নি বন্যার ক্ষত
বিয়ানীবাজার ও ছাতকের গ্রামীণ সড়কে চরম জনভোগান্তি
২০২২ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় ক্ষতবিক্ষত হওয়া সিলেটের গ্রামীণ সড়কগুলোর বড় একটি অংশ চার বছর পেরিয়ে গেলেও সংস্কারের ছোঁয়া পায়নি। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুম নিয়ে বিয়ানীবাজার, ছাতক ও ওসমানীনগর উপজেলার লাখো মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বিশেষ করে বিয়ানীবাজার-মাথিউরা-বহরগ্রাম সড়কের ৯ কিলোমিটারের মধ্যে ৬ কিলোমিটার অংশই এখন বড় বড় গর্ত আর কাদায় একাকার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘকাল অবহেলিত ছিল; আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে সামান্য কাজ শুরু হলেও তা মাঝপথেই থমকে যায়। বিয়ানীবাজার উপজেলার এলজিইডির আওতাধীন প্রায় ১৪০ কিলোমিটার সড়ক এখনও সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। একই চিত্র দেখা গেছে দক্ষিণ ছাতকের কৈতক-সিরাজগঞ্জ ও কৈতক-কামারগাঁও সড়কে। গত সাত বছরে একবারও সংস্কার না হওয়া এই সড়কটি বর্তমানে স্থানীয়দের কাছে ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। এছাড়া ওসমানীনগরের বেগমপুর-কালনীরচর এবং বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কের অবস্থাও নাজুক।
জেলা এলজিইডি ও সওজ সূত্র জানায়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের জন্য বিপুল অংকের অর্থ বরাদ্দ ও চাহিদা পাঠানো হলেও অনেক গ্রামীণ সড়ক এখনও চলাচলের অনুপযোগী।
বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলী দীপক কুমার দাস জানান, সংস্কারের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং কিছু রাস্তায় কাজ চলছে। তবে বর্ষা পুরোপুরি নামার আগেই এই ক্ষতগুলো মেরামত করা না হলে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: