‘শহীদ জিয়াউর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে গাঁথা’
Led Bottom Ad

সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

‘শহীদ জিয়াউর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে গাঁথা’

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৬/১২/২০২৫ ১৩:৪১:২০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট–১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা ঘুমন্ত নিরীহ জাতির ওপর গণহত্যা চালানোর পর তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান দীপ্ত কণ্ঠে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার সেই ঐতিহাসিক ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত ও বেগবান করেছিল।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সিলেট মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে শহীদ জিয়াউর রহমান একজন বীর সেনানায়ক হিসেবে যে সাহস, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন, তা ছাড়া স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণতা পায় না। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র সংগ্রামকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়। অপরদিকে জাতির শ্রেষ্ঠ সেনানায়ক জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীর গড়ে ওঠা সামরিক কৌশল ও শৃঙ্খলাই বিজয়কে ত্বরান্বিত করে। এই দুই মহান নেতার অবদান ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা অর্জন করাই শেষ নয়—তা রক্ষা করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতার চেতনা বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের কাঁধে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতীক। তার রাষ্ট্র সংস্কারের দর্শন ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে আধুনিক বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার পথ দেখাচ্ছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করব এবং একটি গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ থাকব—এটাই হোক এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, বদরুদ্দোজা বদর, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad