আসন সমঝোতা নিয়ে টানাপোড়েন
১১ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাচ্ছে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে এবার থাকছে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। জোটে থাকার শর্ত হিসেবে দলটি কমপক্ষে ৮০টি আসন দাবি করায় অন্যান্য শরিকরা তাদের সঙ্গে সমঝোতায় ব্যর্থ হয়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে জোটের অন্যান্য দলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়—৮০ আসন ছাড়া তারা জোটে থাকতে রাজি নয়। ফলে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়া জোটের অন্যান্য শরিকরা আলাদা বৈঠক করে। খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক চরমোনাই পীরের সঙ্গে মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
জোটের একাধিক সূত্র জানায়, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে—এ অবস্থায় জোটে থাকা সম্ভব নয়। তবে জামায়াতসহ বাকি দলগুলো জোটে থাকছে। ১১ দলীয় জোট এভাবে ১০ দলীয় হতে যাচ্ছে।
জোটের অন্য নেতারা জানান, নতুন আসন বিন্যাসের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। ইসলামী আন্দোলনের এ পদক্ষেপে তারা ২৬৬ আসনে আলাদা নির্বাচন করতে বাধ্য হবে।
ইসলামী আন্দোলনের দাবি ছিল, ১৪৩টি আসনে বিজয়ী হওয়ার মতো সমর্থন রয়েছে। প্রথমে তাদের জন্য ৪০ আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়, পরে ৪৫ পর্যন্ত উন্নীত করা হয়। পাশাপাশি ৬-৭টি আসন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু দলটি ৮০ আসনের দাবিতে অনড় থাকে। অপরপক্ষে জামায়াতের জন্য এত বড় আসন বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব ছিল না।
এই পরিস্থিতিতে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে সমঝোতার চেষ্টা হলেও ফল মেলেনি। জোটে না থাকায় ইসলামী আন্দোলন এখন আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: