মাধবপুরে বৈষম্যের শিকার এনসিপি : ফেসবুক পোস্টে আসমা
উপজেলা প্রশাসনের সরকারি-বেসরকারি কার্যক্রমে ডাকা হয় না এনসিপিকে। এটিকে বৈষম্যের শিকার বলে দাবি করেছেন মাধবপুর উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী আসমা আক্তার চৌধুরী। নিজ ফেসবুক পোস্টে তিনি এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। পোস্টে তিনি এই ঘটনায় প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
আসমা আক্তার চৌধুরী লেখেন, সরকারি-বেসরকারি সকল কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত মাধবপুর উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি! কার হাতে বন্দি উপজেলা প্রশাসন! এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ব্যাপক ঝড় তোলে। অনেকে মন্তব্যে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বলেও মত দেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আসমা আক্তার চৌধুরী বলেন, এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা কমিটি থেকেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আমাদের কমিটিকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও উপজেলা পর্যায়ে আমাদের কেউ কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় ডাকা হয় না। এটি রাজনৈতিক বৈষম্যের শামিল।
তিনি আরো বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করার এবং বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলার অধিকার আমাদের আছে।
আমরা যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নতুন সরকার এনেছি, আজ নিজেদেরই বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। এটা শুধু আমার প্রতি নয়, পুরো দলের প্রতি অবিচার।
এ প্রসঙ্গে মাধবপুরের ইউএনও জাহিদ বিন কাসেম জানান, এনসিপির প্রতিনিধিরা সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। কাউকে বাদ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা বা উদ্দেশ্য প্রশাসনের নেই। যদি কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগ থাকে, তা যাচাই করে সমাধান করা হবে।
তাহির আহমদ
মন্তব্য করুন: