গোল হজম করে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার,টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

গোল হজম করে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার,টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

প্রথম ডেস্ক

১৬/০৭/২০২৬ ১১:২৪:৫১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

প্রথম গোল হজমে পিছিয়ে পড়া।পরাজয় যখন নিয়তি বলে মনে হয় তখনি নাটকীয় প্রত্যাবর্তন।শেষ মুহুর্তের ফিরে জয় যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে আর্জেন্টিনা।সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও লিওনেল মেসির দল জিতল ৮৬ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকে।


 বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের আটালান্টা স্টেডিয়ামে সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন। ৮৫ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। আর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন লাউতারো মার্তিনেজ।


আটালান্টা স্টেডিয়ামে ফাউলের ছড়াছড়ির ম্যাচে ৫৫ মিনিটে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়। মর্গান রর্জাস ডান উইংয়ে বল পেয়ে অনেকটা দূর থেকে ডি বক্সে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বাঁপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢোকা অ্যান্তোনি গর্ডন এক পাসেই বল জালে পাঠান। এমি মার্তিনেজ ঝাঁপিয়ে পড়লেও কোনো লাভ হয়নি।


এরপর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইংল্যান্ড। ফলস্বরূপ মুহুর্মুহু আক্রমণ শাণায় মেসির আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে সমতায় ফেরার আগে বেশ কয়েকবার গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হয় তারা। ৮৫ মিনিটে মেসি বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এনজোর কাছে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন তিনি।


পরের গোলটিও মেসিরই বানিয়ে দেওয়া। ডানপ্রান্ত থেকে ক্রস দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। দূরের পোস্টের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা লাওতারো লাফিয়ে উঠে ব্যবধান ২-০ করেন। ইংল্যান্ড এরপর আক্রমণাত্মক হলেও গোল আর করতে পারেনি। ১৯৬৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এ নিয়ে তিনবার সেমিফাইনাল থেকে বাদ গেল তারা


 


মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad