মৌলভীবাজারের চাতলাপুর শুল্ক স্টেশনে ৬ বছর ধরে আমদানি বন্ধ, সংকটে রপ্তানিও
Led Bottom Ad

মৌলভীবাজারের চাতলাপুর শুল্ক স্টেশনে ৬ বছর ধরে আমদানি বন্ধ, সংকটে রপ্তানিও

নিজস্ব প্রতিনিধি, কুলাউড়া

১১/০৫/২০২৬ ১১:০৯:৪২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে অবস্থিত চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে পণ্য আমদানি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। আমদানির পর এবার চরম ধস নেমেছে রপ্তানি বাণিজ্যেও। বর্তমানে এই রুট দিয়ে কেবল মাছ ছাড়া অন্য কোনো পণ্য ভারতে যাচ্ছে না। অবকাঠামোগত সমস্যা, অতিরিক্ত শুল্ক এবং ডলার সংকটের সমাধান না হলে যেকোনো সময় মাছ রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই স্টেশনের কার্যক্রম শুরু হলেও ২০২০ সাল থেকে ডলার সংকট ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। আগে এই রুট দিয়ে ত্রিপুরা থেকে প্রচুর ফল ও ভোগ্যপণ্য আমদানি হতো এবং বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট, প্লাস্টিক সামগ্রী ও জুস রপ্তানি করা হতো। বর্তমানে কেবল মাছ রপ্তানি কোনোমতে টিকে আছে। জারা এন্টারপ্রাইজ ও ফাবি এন্টারপ্রাইজের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানের মুখে কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, সীমান্তের দুর্বল অবকাঠামো, রাস্তার বেহাল দশা এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে তারা এই রুট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফাবি এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন বলেন, "ডলার সংকটের কারণে আমদানিমূল্য বেড়ে যাওয়ায় আমদানি বন্ধ। লোকসান এড়াতে অনেকেই প্লাস্টিক ও সিমেন্ট রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছেন।"

চাতলাপুর শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মং সাচিং মারমা জানান, বর্তমানে মাছ ছাড়া তেমন কিছু রপ্তানি হচ্ছে না এবং মাঝেমধ্যে সামান্য আদা বা সাতকরা আমদানি হয়। বাণিজ্য সচল করতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাসান আহমেদ জাবেদ বলেন, চাতলাপুর স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গ বন্দরে রূপান্তর করা হলে সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক আমূল পরিবর্তন আসবে। তিনি অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক বাধা দূর করে বন্দরটি পুরোদমে চালুর দাবি জানান।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad