হবিগঞ্জে প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ সংকটে চা শিল্পে বিপর্যয়
Led Bottom Ad

কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

হবিগঞ্জে প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ সংকটে চা শিল্পে বিপর্যয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

১০/০৫/২০২৬ ১৪:৪২:২৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের কবলে পড়ে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার চা শিল্পে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চা বাগানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ—উভয় ক্ষেত্রেই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বাগান কর্তৃপক্ষ। উপজেলার পাঁচটি চা বাগান মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির কারণে পাতা উত্তোলন (প্লাচিং) সময়মতো করা সম্ভব না হওয়ায় চা পাতা অতিরিক্ত পরিণত হয়ে গুণগত মান হারাচ্ছে। পাশাপাশি সূর্যালোকের অভাব ও অতিরিক্ত আর্দ্রতায় ব্যাহত হচ্ছে পাতার স্বাভাবিক পরিপক্বতা। ঘূর্ণিঝড়ের দমকা হাওয়ায় অনেক চা গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় ভূমিধসও দেখা দিয়েছে, যা বাগানের উৎপাদন চক্রকে দীর্ঘমেয়াদী সংকটের মুখে ফেলেছে।

উৎপাদন প্রক্রিয়ার এই সংকটের সাথে যুক্ত হয়েছে তীব্র লোডশেডিং। বিদ্যুতের অভাবে কারখানায় সংগৃহীত সতেজ পাতা (ফ্রেশল্যাপ) সময়মতো প্রক্রিয়াজাত করা যাচ্ছে না, ফলে পাতার গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশনের ইউনিট প্রতিনিধি এম কাওছার জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় সবুজ পাতা ম্যানুফ্যাকচারিং কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। তিনি চা শিল্পকে বাঁচাতে দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জোর দাবি জানান। সিলেট বিভাগের অন্যতম চা বাগান আমতলী প্লান্টেশনের ব্যবস্থাপক সোহেল আহমেদ পাঠান পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, “প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে আমরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। এই সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রয়োজন।”


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad