খামারিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ
সুনামগঞ্জ সীমান্তে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পশুর হাট
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পশুর হাট বন্ধের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মহিষখলায় তা উপেক্ষিত হচ্ছে। ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা গরুর ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই হাটগুলো বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গত রোববার ডিসি সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিনুর রশিদ সীমান্তবর্তী পশুর হাট বন্ধের ঘোষণা দিলেও মঙ্গলবার মহিষখলায় প্রকাশ্যেই পশুর হাট বসতে দেখা গেছে। চলতি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য বাজারটি খাস আদায়ের ভিত্তিতে ইজারা পেয়েছেন উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোক্তার হোসেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তঘেঁষা এই বাজারে ভারতীয় চোরাই গরু এনে সেগুলোকে বৈধতা দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করা হয়। এতে স্থানীয় খামারিরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বাজার ইজারাদার মোক্তার হোসেন দাবি করেছেন, তিনি হাট বন্ধের কোনো সরকারি নির্দেশনা পাননি; নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেবেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ জানিয়েছেন, সীমান্তে পশুর হাট বন্ধের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে এবং আগামী মঙ্গলবার হাট বসানো হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজিবি’র বাঙালভিটা বিওপি কমান্ডার মো. আব্দুল হান্নান চোরাচালান বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেও সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও নজরদারি ছাড়া এই অবৈধ গরুর সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব নয়।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: