ঢাকা-সিলেট সড়ক ছয় লেন ও রেললাইন ডাবল করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
Led Bottom Ad

ঢাকা-সিলেট সড়ক ছয় লেন ও রেললাইন ডাবল করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

০২/০৫/২০২৬ ১৪:১৭:৪১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটের সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট নগরভবনে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সিলেট থেকে লন্ডনে বিমানে যেতে যতটুকু সময় লাগে, সড়কপথে ঢাকা যেতে তার চেয়েও বেশি সময় ব্যয় হয়। এই ভোগান্তি দূর করতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। জমি অধিগ্রহণের যে ১১টি স্থানে জটিলতা ছিল, তা ইতিমধ্যে নিরসন করা হয়েছে।” সড়কপথের পাশাপাশি রেলের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি ঘোষণা দেন, ঢাকা-সিলেট রেলপথকে ডাবল লাইনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। তিনি মনে করেন, কেবল সড়ক বড় করলে যানজট বাড়ে, তাই দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য রেল যোগাযোগ আধুনিকায়ন জরুরি।

চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জানান, সিলেটে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ২০০ শয্যার হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা হবে এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১২০০ শয্যায় উন্নীত করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া দেশজুড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও পুষ্টি সচেতনতা তৈরিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দেন তিনি, যার মধ্যে ৮০ শতাংশই থাকবেন নারী।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্ধ কলকারখানাগুলো প্রয়োজনে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত চালু করার উদ্যোগ এবং সিলেটের আইটি পার্কটিকে তরুণদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে সচল করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নগরের জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ রক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া ঠেকাতে আমরা খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। চাঁদনীঘাটে যে মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, সেটি বাস্তবায়ন হলে সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না।” একই সাথে তিনি সুরমা নদীসহ প্রাকৃতিক জলাধারে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা বন্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সুধী সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং হুইপ জিকে গউছসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad