তরুণদের মেধাবী ও সৃজনশীল করতে পাঠাভ্যাস বাড়াতে হবে: মিফতাহ সিদ্দিকী
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেছেন, তরুণ প্রজন্মকে মেধাবী ও সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠাভ্যাস বাড়ানোর বিকল্প নেই। পড়া ও লেখালেখিতে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে সাহিত্য ও সংস্কৃতির উৎকর্ষ সাধনে বইমেলার মতো উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর দরগাগেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস) প্রাঙ্গণে ১০ দিনব্যাপী ‘৬ষ্ঠ আলোর অন্বেষণ বইমেলা-২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার ধ্বংসস্তূপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে বের করে আনতে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। যে জাতির সাহিত্য ও সংস্কৃতি যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত। আমরা আর পিছিয়ে থাকতে চাই না; তরুণদের নিয়ে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।
প্রধান অতিথির নেতৃত্বে অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে বইমেলার উদ্বোধন করেন। পরে মেলা মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোর অন্বেষণ-এর সভাপতি কবি সাজন আহমদ সাজুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এমজেএইচ জামিলের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, কবি ও প্রাবন্ধিক সালেহ আহমদ খসরু, কবি ও গবেষক ড. মোস্তফা আহমদ মুশতাক, কেমুসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, কবি ও গবেষক তাবেদার রসুল বকুলসহ অনেকে।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও সমাজকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, বইমেলা চলবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবারের বইমেলা উৎসর্গ করা হয়েছে আধিপত্যবাদবিরোধী জুলাই যোদ্ধা শহীদ শরীফ মো. ওসমান হাদিকে।
মেলা চলাকালে কবিতা পাঠ, মোড়ক উন্মোচন, রচনা, আবৃত্তি, সাধারণ জ্ঞান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে। সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায়।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: