জলাধার সংকটে বিয়ানীবাজারে অগ্নি দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে ঝুঁকি
ফায়ার সার্ভিসের সি গ্রেড অবস্থান, সরঞ্জাম সংকট ও অনিয়মিত নগরায়ণের পাশাপাশি জলাধারের অভাবে সিলেটের বিয়ানীবাজারে অগ্নি দুর্ঘটনার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এমনটাই জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা, অগ্নিযোদ্ধা ও স্থানীয় সচেতন মহল।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পৌরশহর ও শহরতলিতে জলাশয় ও পুকুর ভরাট করে ভবন নির্মাণের ফলে দুই যুগে অর্ধশত জলাধার কমে বর্তমানে মাত্র পাঁচ থেকে সাতটিতে দাঁড়িয়েছে। ফলে আগুন নেভাতে পর্যাপ্ত পানির উৎস মিলছে না।
গত এক দশকে গড়ে ওঠা আবাসিক ও বাণিজ্যিক বহুতল ভবনগুলোতে বাধ্যতামূলক ভূগর্ভস্থ পানির রিজার্ভ ট্যাঙ্ক না থাকায় অগ্নিকাণ্ডে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আগুন লাগলে দূরবর্তী বারোপালের দিঘী কিংবা কুশিয়ারা ও সোনাই নদীর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে।
ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার সুকুমার সিংহ জানান, স্টেশনের নিজস্ব কোনো জলাশয় নেই। মাত্র ১ হাজার ৮০০ লিটার পানির ট্যাঙ্কার কয়েক মিনিটেই খালি হয়ে যায়। শহরের পুকুরগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরা থাকায় সেগুলো ব্যবহারও ঝুঁকিপূর্ণ।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পৌর এলাকার পুকুরগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। অবৈধ ভরাট বন্ধ ও ভরাট হওয়া জলাশয় খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভবন নির্মাণে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: