দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সিলেটে নির্বাচন কমিশনের ন্যায্যতা প্রশ্নে বিভ্রান্তি
সিলেট-১ আসনের এনসিপি প্রার্থী ও দলীয় সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেশামুল হক দ্বৈত নাগরিকত্বের জটিলতার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এহতেশামুল হক বলেন, “বিএনপির এমএ মালিক ও আমি দুজনই দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে বসবাস করেছি। আমাদের দুজনেরই নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন ছিল। এমএ মালিক তার সলিসিটরের সাক্ষরযুক্ত আবেদন জমা দেয়ায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষিত হয়েছে। আমি নিজে আবেদন করেছিলাম, কিন্তু হোম অফিস থেকে ক্লিয়ারেন্স না আসায় আমার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এক রকম পরিস্থিতিতে দুই ভিন্ন সিদ্ধান্তকে আমি গ্রহণ করতে পারছি না। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।”
এহতেশাম রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “আমি দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে সিলেট-১ আসন থেকেই প্রার্থিতা গ্রহণ করেছি। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করে, সততা অনেক সময় শাস্তিযোগ্য হয়ে দাঁড়ায়।”
প্রসঙ্গত, শনিবার সিলেটের পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত হয়েছিল। এর মধ্যে বিএনপির এমএ মালিক, এনসিপির এহতেশামুল হক ও সিলেট-৬ আসনের গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমানের মনোনয়নপত্র দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার কাগজপত্র অপর্যাপ্ত থাকায় স্থগিত করা হয়েছিল। রোববার এমএ মালিকসহ চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলেও এহতেশামুল হকের আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: