সিলেটে পুরনো কূপে নতুন গ্যাসস্তর আবিষ্কার, শিগগিরই গ্রিডে যোগ হবে সরবরাহ
Led Bottom Ad

সিলেটে পুরনো কূপে নতুন গ্যাসস্তর আবিষ্কার, শিগগিরই গ্রিডে যোগ হবে সরবরাহ

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২১/১১/২০২৫ ১৭:৫৬:৩১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় ৪২ বছর পর আবারও বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কৈলাশটিলা–১ নম্বর কূপে সফল ওয়ার্কওভার শেষে নতুন করে গ্যাস উত্তোলনের নিশ্চয়তা দিয়েছে পেট্রোবাংলা। চার মাসের প্রচেষ্টায় এই সাফল্য অর্জন করেছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পেট্রোবাংলা জানায়, ওয়ার্কওভার সম্পন্ন হওয়ার পর কৈলাশটিলা–১ কূপ থেকে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন নিশ্চিত হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, “ওয়ার্কওভার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে কূপের গ্যাস মজুদ সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি।”

সূত্র জানায়, বিজয়–১২ রিগের মাধ্যমে প্রায় চার মাস ধরে পরিচালিত ওয়ার্কওভার কাজের সময় ২২ হাজার ফুট গভীরে নতুন গ্যাসস্তর পাওয়া যায়। কূপটিতে প্রায় ১.৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট সম্ভাব্য গ্যাস মজুদ থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কূপে আরও কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই এই গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হবে।

১৯৮৩ সালে কৈলাশটিলা–১ কূপে প্রথম গ্যাস পাওয়া যায়। ২০১৯ সালের পর থেকে কূপটি অচল হয়ে পড়ে। ওয়ার্কওভার সফল হওয়ায় কূপটি থেকে আগামী ১০ বছর ধরে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৯৬১ সালে আবিষ্কৃত কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে মোট আটটি কূপ খনন করা হয়। ৮৭৮.৮০ বিলিয়ন ঘনফুট প্রমাণিত মজুদের মধ্যে ৮১২.১৭ বিলিয়ন ঘনফুট, অর্থাৎ ৯২.৪২ শতাংশ উত্তোলন সম্পন্ন হয়েছে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে আরও কয়েকটি অনুসন্ধান ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প দ্রুতগতিতে চলছে। সফল হলে এসব কূপ থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হতে পারে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad