বড়লেখায় বাবুল আহমেদের কাপে ভর করে মানুষ খুঁজে পায় আপন সুখ
Led Bottom Ad

বড়লেখায় বাবুল আহমেদের কাপে ভর করে মানুষ খুঁজে পায় আপন সুখ

মোঃ হিফজুর রহমান

০৪/১১/২০২৫ ২২:২৩:০১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার উত্তর চৌমুহনীতে সন্ধ্যা নামলেই জেগে ওঠে অন্য রকম এক প্রাণ। রাস্তার পাশে ছোট্ট দোকান, অথচ তার চারপাশে যেন গড়ে ওঠে এক আবেগের পাহাড়। বাবুল আহমেদের চায়ের দোকান—এখানে শুধু চা বিক্রি হয় না, এখানে বিক্রি হয় ভালোবাসা, গল্প আর মানুষের আপন হয়ে থাকার মুহূর্ত।


হাতে বানানো ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপ যেন কারও দিনশেষের সান্ত্বনা, কারও ক্লান্তি ভাঙার আশ্রয়। মাত্র ১০ টাকার সেই এক কাপ চা—কিন্তু তাতে আছে অমূল্য উষ্ণতা, আছে মায়া, আছে সম্পর্কের বন্ধন। কেউ আসে বন্ধুকে নিয়ে, কেউ আসে একাকী মনটাকে একটু শান্ত করতে। সবাই এক চুমুকেই যেন খুঁজে পায় ঘরভরা উষ্ণতা, পেয়ালাভরা nostalgia।


প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত গভীর পর্যন্ত দোকানজুড়ে শুধু মানুষের ভিড় নয়—হাসির শব্দ, গল্পের ঢেউ আর চায়ের মিষ্টি সুবাস। যেন এই চৌমুহনী হয়ে ওঠে জীবনের ক্ষুদ্রতম আনন্দ উদযাপনের মহাফিল।


স্থানীয়রা ভালোবাসায় বলেন, “বাবুল ভাইয়ের চা না খেলে মনে হয় দিনটাই পূর্ণ হলো না।” সেই ভালোবাসার উত্তরে বাবুল আহমেদও চোখ ভেজা হাসিতে বলেন, “মানুষের এই ভালোবাসাই আমার সব। এটাই আমার সবচেয়ে বড় সম্পদ।”


চায়ের কাপের আড়ালে তাই প্রতিদিন জমে ওঠে গল্পের মেলা, হৃদয়ের সংযোগ। বড়লেখা উত্তর চৌমুহনী—চায়ের সুবাসে এখানে মানুষ খুঁজে পায় সম্পর্কের উষ্ণতা, জীবনের সরল সুখ।


রোদ্দুর রিফাত

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad