জীববৈচিত্র্যে ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য
জেগে উঠেছে হাওর
সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলে এখন প্রকৃতির নবজাগরণ। সাত মাস পানির নিচে থাকার পর ধীরে ধীরে জেগে উঠছে হাওরের জমিন। শুকনো মাটির গন্ধে ভরে উঠেছে বাতাস, উঁকি দিচ্ছে ধানের জমি, ঘাসে মোড়া মাঠ আর গ্রামীণ সড়ক। হেমন্তের হাওয়ায় প্রাণ ফিরে পাচ্ছে জীববৈচিত্র্য—পাখির কিচিরমিচির, শিশুদের খেলাধুলা আর কৃষকের মাঠে ব্যস্ততা হাওরজীবনে এনেছে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য।
তাহিরপুর উপজেলার শনি মাটিয়ান, পালই বুনোয়া, টাংগুয়ার হাওরসহ ২৩টি ছোট-বড় হাওরেই এখন জেগে উঠছে নতুন জীবন। পানি সরে যাওয়ায় শুরু হয়েছে কৃষকদের জমি প্রস্তুতির কাজ। হাওরের চরে গজিয়ে উঠছে সবুজ ঘাস ও বুনো ফুল, আশ্রয় নিচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও প্রাণী।
কৃষকরা জানালেন, হাওরের পানি নেমে যাওয়ায় তারা এখন বীজতলা তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আসছে বোরো মৌসুমে ভালো ফসলের আশা করছেন সবাই।
তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, “হাওরের পানি অনেকটাই নেমে গেছে, মাঠগুলো জেগে উঠছে। কৃষকদের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যেই বোরো চারা রোপণ শুরু হবে। কৃষি বিভাগ নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে।”
এ রহমান
মন্তব্য করুন: