সাবমারসিবল সড়কে শেষ ভরসা খুঁজছেন সুনামগঞ্জের কৃষকেরা
Led Bottom Ad

হাওরে পঁচা ধানের গন্ধে ভারী বাতাস

সাবমারসিবল সড়কে শেষ ভরসা খুঁজছেন সুনামগঞ্জের কৃষকেরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, শাল্লা

০৭/০৫/২০২৬ ১৯:২২:৩৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া ধানের পঁচা গন্ধে চারদিকের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে; চারদিকে থইথই পানির নিচে তলিয়ে থাকা ধানের পাশাপাশি আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় কৃষকের মাড়াই করা ধানেও পচন ধরেছে। দীর্ঘদিন বৈরী আবহাওয়ার পর গত তিনদিন ধরে রোদের দেখা পাওয়ায় দিশেহারা কৃষকেরা এখন পাকা সাবমারসিবল সড়কগুলোকেই ধান শুকানোর শেষ ভরসাস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মাঠের খলাগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় হাওরের এই সড়কগুলো এখন ধানে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং অনেক কৃষক অঙ্কুরোদগম ঠেকাতে শত শত বস্তা ধান পানিতে ভিজিয়ে রাখার পর এখন তা সড়কে শুকাচ্ছেন।

ভান্ডাবিল হাওরের কৃষক আগুয়াই গ্রামের সুরঞ্জিত দাস জানান, তাঁর ১৮ কের জমির মধ্যে ১০ কের কোনোমতে কাটতে পারলেও খলা ডুবে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন, যা এখন বাড়ির পাশের পাকা সড়কে শুকাচ্ছেন। অন্যদিকে উদগল হাওরের কৃষক সাচ্চু মিয়া জানান, তাঁর অর্ধেক মাড়াই করা ধানে চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে এবং বাকি অর্ধেক পানির নিচ থেকে কেটে এনে সাবমারসিবল সড়কে শুকানোর চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা শুভজিৎ রায় জানিয়েছেন, বন্যায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এবার ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে; তবে কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে সাবমারসিবল সড়কের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদও ধান শুকানোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে এবং কোনো প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক যেন এই তালিকা থেকে বাদ না পড়েন সে বিষয়ে কৃষি বিভাগ সজাগ রয়েছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad