সব টিকিট পাওয়া যাবে অনলাইনে
১৩ মে থেকে মিলবে ট্রেনের ঈদের অগ্রিম টিকিট
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অগ্রিম ও ফিরতি ট্রেনের টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ১৩ মে থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। বরাবরের মতো এবারও কাউন্টারে কোনো ভিড় থাকছে না; শতভাগ টিকিটই বিক্রি করা হবে অনলাইনে।
রেলওয়ে সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে টিকিট কেনা যাবে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে ঈদ উপলক্ষে সংগৃহীত অগ্রিম টিকিট কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া বা ‘রিফান্ড’ করা যাবে না।
অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি:
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ১৩ মে পাওয়া যাবে ২৩ মে যাত্রার টিকিট। একইভাবে ১৪, ১৫, ১৬ ও ১৭ মে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
ফিরতি টিকিট বিক্রির সূচি:
ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরার জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে। ওইদিন পাওয়া যাবে ৩১ মে’র টিকিট। পরবর্তী দিনগুলোতে ১ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ফিরতি যাত্রার টিকিট ধাপে ধাপে বিক্রি করা হবে।
অঞ্চলভিত্তিক সময়:
টিকিট বিক্রির চাপ সামলাতে এবারও দুই শিফটে টিকিট ছাড়া হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের এবং দুপুর ২টায় পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
বিশেষ ট্রেন ও ক্যাটল স্পেশাল:
যাত্রীচাপ সামলাতে এবার পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে ‘তিস্তা স্পেশাল’, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটে ‘চাঁদপুর স্পেশাল’ এবং জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে ‘পার্বতীপুর স্পেশাল’ নির্দিষ্ট দিনে চলাচল করবে। এছাড়া ঈদের দিন শোলাকিয়া ঈদগাহে যাতায়াতের জন্য ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা থাকবে।
কোরবানির পশু পরিবহনের সুবিধার্থে আগামী ২২ ও ২৩ মে ঢাকা-জামালপুর রুটে দুটি ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেন চালানো হবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া নিয়মিত আসনের অতিরিক্ত হিসেবে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার’ (স্ট্যান্ডিং) টিকিট কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে। তবে এসব টিকিট নিয়ে উচ্চ শ্রেণির (এসি বা প্রথম শ্রেণি) কোচে যাতায়াত করা যাবে না।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: