হবিগঞ্জে হাওর থেকে মৎস্যজীবীর পাথর বাঁধা মরদেহ উদ্ধার
হবিগঞ্জে নিখোঁজের ছয় দিন পর হাওর থেকে এক মৎস্যজীবীর পাথর বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত রঙিলা মিয়া (৫০) পেশায় মাছচাষি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছে। শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে জেলার বানিয়াচং উপজেলার সোনাডুবি বিল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত রঙিলা মিয়া হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর এলাকার মৃত নূর হোসেনের ছেলে।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘স্থানীয়রা বিলের পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কোমর ও পায়ে পাথর বাঁধা ছিল। ধারণা করছি, হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল।’
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রঙিলা মিয়া কামরূপ জলমহাল লিজ নিয়ে মাছ চাষ করতেন। প্রতিদিন রাতে তিনি নিজেই হাওরে পাহারা দিতেন। গত সোমবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় খাওয়ার জন্য বাড়ি ফিরে যান। পরে ফিরে গিয়ে দেখতে পান পাহারার জন্য ব্যবহৃত নৌকাটি নেই। এরপর তা খুঁজতে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন পরিবার থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
রঙিলা মিয়া স্ত্রী, চার ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর খবরে স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: