সিলেট আদালত এলাকায় সিসি ক্যামেরার সংকট, নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে
Led Bottom Ad

অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা অচল

সিলেট আদালত এলাকায় সিসি ক্যামেরার সংকট, নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে

প্রথম ডেস্ক

০৭/১২/২০২৫ ১০:২৪:১৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতসহ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরার অভাব এবং স্থাপিত ক্যামেরার একটি বড় অংশ বিকল হয়ে থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার চিঠি পাঠালেও এখনো পর্যন্ত পুরো এলাকাজুড়ে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

সিজেএম আদালতের কার্যকরী এলাকায় শুরু থেকেই কোনো সিসি ক্যামেরা কার্যকর অবস্থায় ছিল না। গত ২৭ আগস্ট আদালত কর্তৃপক্ষ গণপূর্ত বিভাগকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্যামেরা স্থাপনের জন্য চিঠি পাঠায়।

সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয় দেব বিশ্বাস জানান, “নষ্ট ক্যামেরা মেরামত ও অতিরিক্ত ক্যামেরা স্থাপনের জন্য আমরা পত্র পেয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি। দ্রুত কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।”

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির মো. খাইরুল ইসলাম জানান, তাদের অধীনে মোট ১১টি ক্যামেরা থাকলেও ৫টি বহুদিন ধরে নষ্ট। আদালত ভবনের সিঁড়ির সামনে-পেছনে, বিচারক কোয়ার্টার ও প্রধান ফটকে থাকা ক্যামেরাগুলোর কয়েকটি নিয়মিত বিকল হয়। মাঠে থাকা একটি মাত্র ক্যামেরাও দীর্ঘদিন ধরে অচল।

এদিকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পর্যবেক্ষণে থাকা ৮টি ক্যামেরা সিজেএম ভবনের ইনডোরে স্থাপিত। এর মধ্যে ৩য় তলায় ৪টি এবং ১০ম তলায় ৪টি ক্যামেরা রয়েছে।

জেলা পুলিশের পর্যবেক্ষণে থাকা ৮টি সিসি ক্যামেরাই সিজেএম ভবনের ভেতরে স্থাপিত। জেলা পুলিশের মালখানা ও হাজতখানায় থাকা ৪+৪টি ক্যামেরা কার্যকর থাকলেও মাঠে নজরদারির কোনো ব্যবস্থা নেই। এসএমপির কোর্ট প্রসিকিউশন বিভাগের অধীনে রয়েছে ১১টি ক্যামেরা। দুই প্রধান ফটক ও হাজত খানায় ক্যামেরা থাকলেও পুরো মাঠজুড়ে নেই কোনো নজরদারি।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরওয়ার আহমেদ চৌধুরী আবদাল বলেন, “সিঁড়িসহ প্রতিটি প্রবেশদ্বারে ক্যামেরা স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ আদালতে আসে—তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ক্যামেরা অপরিহার্য।”

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আশিক উদ্দিন আশুক বলেন, “আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ক্যামেরা থাকলে যেকোনো ঘটনার অভিযুক্তকে শনাক্ত করা সহজ হয়।”

বিভিন্ন দপ্তর দাবি করছে—মেরামত ও স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু হবে। তবে দীর্ঘদিন ধরে ক্যামেরাগুলো বিকল থাকায় আদালত এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার মাঝে।


নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত কার্যকর সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি উচ্চচাপ পাচ্ছে আদালত অঙ্গনে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad