বর্জ্য থেকে তৈরি হবে সম্পদ
সিলেটে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ
সিলেট নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও টেকসই করে একে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। বুধবার (৬ মে) নগরীর একটি হোটেলের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এই পরিকল্পনার কথা জানান।
‘বাংলাদেশে নগরভিত্তিক পানি চক্রের টেকসই রূপান্তর (এসইউডব্লিউসি)’ প্রকল্পের আওতায় সিলেট সিটি করপোরেশনের জন্য ৫ বছর মেয়াদী ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (SWM) পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সিসিক ও নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক সংস্থা এসএনভি (SNV) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "নগরীর বর্জ্য শুধু অপসারণ নয়, বরং একে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। কঠিন বর্জ্য থেকে বায়ো-প্রোডাক্ট উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং কারিগরি সহযোগিতার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী ‘থ্রি-আর’ (রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল) পদ্ধতি এবং সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সংবেদনশীল সিলেট গড়তে এই ৫ বছর মেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজিব।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নিয়ে নগরীর পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: