বিয়ানীবাজারে গ্যাসফিল্ডের পাঁচ লাখ টাকার গাছ কেটে নিলেন সিবিএ নেতা!
Led Bottom Ad

বিয়ানীবাজারে গ্যাসফিল্ডের পাঁচ লাখ টাকার গাছ কেটে নিলেন সিবিএ নেতা!

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিয়ানীবাজার

১২/১১/২০২৫ ১৪:০৭:০৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেট গ্যাসফিল্ডের বিয়ানীবাজার ইউনিটে ঘটেছে চাঞ্চল্যকর কাণ্ড! আবাসিক এলাকা থেকে অনুমতি ছাড়াই পাঁচ লক্ষ টাকারও বেশি মূল্যের গাছ কেটে বিক্রি করেছেন সিবিএর এক নেতা। অথচ পুরো ঘটনায় প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষ নির্বিকার!


স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ানীবাজার পৌরসভার খাসাড়ীপাড়ায় অবস্থিত গ্যাসফিল্ডের ২ নম্বর কূপের আবাসিক এলাকা থেকে সম্প্রতি ২২টি আকাশি প্রজাতির গাছ কেটে দ্রুত বিক্রি করে দেওয়া হয়। আর এই কাটাকাটি ও বিক্রির নির্দেশ দিয়েছেন সিবিএ আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও গ্যাসফিল্ডের প্ল্যান অপারেটর আব্দুর রহমান।


অভিযোগ—গাছ কাটার আগে কোনো অনুমতি নেননি তিনি। সরকারি সম্পদ বিক্রির এই দুঃসাহসিক ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।


সূত্র জানায়, আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে আগেও নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ছিল। সেই কারণেই তাঁকে একসময় রশিদপুর গ্যাসফিল্ডে বদলি করা হয়। কিন্তু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ফের বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ড-২ এ ফিরে আসেন তিনি।


স্থানীয়দের অভিযোগ—এই আব্দুর রহমান এক বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ অনুসারী। সেই রাজনৈতিক পরিচয়ের জোরেই তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলে না।


গ্যাসফিল্ডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুর রহমান রুমি বলেন, “গাছ কাটার বিষয়টি আমি পরে জানতে পারি। অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা গুরুতর অপরাধ। ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।” তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান সাংবাদিক পরিচয় শুনেই ফোনের সংযোগ কেটে দেন।


স্থানীয়দের মতে, সরকারি সম্পদ লুটের এই ঘটনাটি শুধু অনৈতিকই নয়, বরং গ্যাসফিল্ডের সুনাম কলঙ্কিত করেছে। তারা দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি জানিয়েছেন।


প্রভাব, দুর্নীতি আর প্রশাসনিক উদাসীনতার ফাঁদে সরকারি সম্পদ আজ হাতবদল হচ্ছে প্রকাশ্যে—কেউ দেখছে না, কেউ বলছে না!

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad