সিলেট চেম্বার নির্বাচনে স্থগিতাদেশ ঘিরে হাতাহাতি, উত্তেজনা
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচন স্থগিত হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ ও সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম নেতৃবৃন্দের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে এক পক্ষের সদস্যরা অপর পক্ষের দিকে তেড়ে যান। পরে উভয় পক্ষের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা গেছে, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনে ব্যবসায়ীরা দুটি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন— সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ এবং সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম।
আগামী ১ নভেম্বর ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত থাকলেও এর আগে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। নির্বাচনে মোট ৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। কিন্তু ভোটগ্রহণের মাত্র পাঁচ দিন আগে রবিবার (২৬ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-১ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এই স্থগিতাদেশকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে।
এদিকে বিকেলে নগরীর হোটেল স্টার প্যাসিফিকে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ অভিযোগ করে বলে— “আমাদের নিরঙ্কুশ বিজয় দেখে একটি পক্ষ নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলটির নেতারা দাবি করেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে নিরপেক্ষ ভোটের সুযোগ নষ্ট হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: