আদরের ফাহিমাকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবার: ঘাতক জাকিরের ফাঁসির দাবি
Led Bottom Ad

আদরের ফাহিমাকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবার: ঘাতক জাকিরের ফাঁসির দাবি

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৪/০৫/২০২৬ ২৩:০৫:৫৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ছোট্ট ফাহিমার অকাল মৃত্যুর শোক যেন কোনোভাবেই সইতে পারছে না তার পরিবার ও স্বজনরা। বুধবার (১৩ মে) দিনভর বৃষ্টি উপেক্ষা করেই আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীরা ফাহিমার বাড়িতে ভিড় করছেন। সবার মুখে কেবল মায়াবী এই শিশুটির স্মৃতিচারণ, আর চোখে জল। আদরের সন্তানকে হারিয়ে মা রুবিনা বেগম প্রায় পাথর হয়ে গেছেন; বাকি চার সন্তানকে বুকে আগলে ঘরের এক কোণে স্তব্ধ হয়ে বসে আছেন তিনি।

পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে ফাহিমা ছিল চতুর্থ। তার বড় বোন ফাইজা (১৪), ফারজানা (১০), ভাই রিহাদ (৯) এবং মাত্র ১৩ মাস বয়সী ছোট ভাই রিফাতকে নিয়ে পুরো পরিবারে এখন এক অদ্ভুত নীরবতা। বড় বোন ফাইজা অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানায়, সে নিজ হাতে ফাহিমাকে খাইয়ে দিত, গোসল করিয়ে দিত। নিজের আদরের বোনকে এমন নৃশংসভাবে হত্যার বিচার হিসেবে ঘাতকের ফাঁসি চেয়েছে সে। ফাহিমার খেলার সাথী ও চাচাতো বোন ফাবিহাও এই ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফাহিমার চাচি শাহেনারা বেগম আক্ষেপ করে বলেন, ঘাতক জাকিরের নিজেরও তিনটি ছোট মেয়ে থাকা সত্ত্বেও সে কীভাবে এমন পাষণ্ড হতে পারল।

গত শুক্রবার (৮ মে) বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে বুধবার (৬ মে) সে নিখোঁজ হয়েছিল। ঘটনার চারদিন পর সোমবার (১১ মে) রাতে ঘাতক প্রতিবেশী চাচা জাকির হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জাকির পুলিশ ও আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে। বাকরুদ্ধ মা রুবিনা বেগমের এখন একটাই দাবি—সন্তানের হত্যাকারী জাকিরের যেন দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করা হয়।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad