সাকিবকে বাঁচাতে সহযোগীতা চায় পরিবার
স্বপ্ন ছিল পরিবারের হাল ধরার। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে স্বপ্নের পিছনে শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। প্রানান্ত চেস্টা থাকলে এই বাজারে জোটেনি একটি চাকুরী। এখন আর সেই চেস্টা করারও সুযোগ নেই। স্বপ্ন থমকে গেছে টগবগে এক তরুণের। নিষ্টুর সময় সহায় নেই তার। বলছি এক স্বপ্নবাজ তরুণের কথা। তরুণের নাম নুরুল ইসলাম সাকিব। পিতার নাম লাল চাঁন। নগরীর কাজীটুলার বাসিন্দা লাল চাঁন নিজে কোনো মতে একটি চাকুরী নিয়ে কোনমতে একাই সামলাচ্ছেন পরিবারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব ভাগ নিতে চেয়েছিল সাকিব। স্বপ্ন ছিল পরিবারের হাল ধরার, আজ তার পিছু দৌড়াতে হচ্ছে পরিবারকে। ব্যয়বহুল বোন টিবি বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। দিন দিন নিভে যাচ্ছে আশার আলো। ছেলের যথাযথ চিকিৎসার জন্য বাবা লাল চাঁনের চেষ্টারও কমতি নেই। কিন্তু সাধ থাকলেও সেই সাধ্যি নেই তার।
নগরীর জালালাবাদ রাগিব রাবেয়া হাসপাতালে অর্থোপেডিকস বিভাগের প্রধান সাইরাস সাকিবার তত্বাবধানে ছেলেকে করিয়েছেন চিকিৎসা। এ যাবত চিকিৎসাব্যয় হিসেবে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা তিনি ব্যয় করেছেন। নিজের সামর্থ না থাকলে ধার করা টাকা দিয়ে এতোদিন চিকিৎসা চালালেও এখন চিকিৎসক বলছেন, এই রোগ থেকে সাকিবকে বাঁচাতে হলে একমাত্র ভারতে পাঠাতে হবে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নুরুল ইসলাম সাকিবের চিকিৎসাব্যয় কমপক্ষে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা হতে পারে। এ খবরে পিতা লাল চাঁনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। কোথায় পাবেন তিনি এতো টাকা ? কে যোগাবে আর্থিক সাহস ও শক্তি? ইতোমধ্যে নিজের আত্মীয় স্বজন যা ছিল, সবাইতো সামর্থ অনুযায়ী দিয়ে গেছে। এখন তাহলে উপায় কী? ভাবনার বেড়াজালে সময় কাটছে লাল চাঁনের। আর ছেলে নুরুল ইসলাম সাকিব তিল তিল করে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
চোখে এখন সর্ষেফুল লাল চানের। উপায়ান্তর না পেয়ে তিনি এবার সহযোগীতা চেয়েছেন সমাজের বিত্তবানদের প্রতি। লাল চাঁন জানান, নিজের বিক্রি করার মতো কিছু থাকলে সেটিও বিক্রি করে ছেলেকে বাঁচিয়ে তুলতাম। কিন্তু সেইটুকুও নেই। তাই আজ সামর্থবান সকল মানুষের প্রতি আমার সন্তানের জন্য সহযোগীতা কামনা করছি। আপনারা আমার এই দু:সময়ে এগিয়ে আসলে, বেঁচে যাবে একটি প্রাণ, বেঁচে যাবে একটি পরিবার,থেমে যাবে একজন অভিভাবকের হাহাকার।
নুরুল ইসলাম সাকিবকে সাহায্য পাঠতে হলে : বিকাশ নং-01718260366 (পার্সোনাল)
সঞ্চয়ী হিসাব নং -0063201000054620
nurul Islam sakib
United commercial banks limited
Branch : Sylhe
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: