নারীর ক্ষমতায়নেই টেকসই উন্নয়ন: সিলেট উইমেন চেম্বারের সভা
Led Bottom Ad

নারীর ক্ষমতায়নেই টেকসই উন্নয়ন: সিলেট উইমেন চেম্বারের সভা

প্রথম ডেস্ক

০৮/০৩/২০২৬ ২২:৩১:৩৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডিাস্ট্রি–এর উদ্যোগে নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াছমিন শম্পা। পরিচালক জাকিরা ফাতেমা লিমি চৌধুরী ও গাজী জিনাত আফজারের যৌথ সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৈলাশ ইলেকট্রনিকস গ্রুপের স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল মুকিত।



বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবদুল মুকিত বলেন, সমাজ ও অর্থনীতির অগ্রগতিতে নারীর অবদান অপরিসীম। নারীরা আজ শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নেতৃত্বের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করছেন। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হলে দেশ আরও দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, নারীরা শুধু পরিবার নয়, রাষ্ট্র ও অর্থনীতির চালিকাশক্তি। শিক্ষা, প্রযুক্তি, ব্যবসা ও নেতৃত্ব—সব ক্ষেত্রেই নারীরা নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিচ্ছেন। তাই নারীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করা মানেই দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা। আবদুল মুকিত বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন মানে শুধু অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নয়; এর অর্থ হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ, সম্মানজনক অবস্থান এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করা।


পরিচালক সামা হক চৌধুরী বলেন, নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন সাহস, প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা। সঠিক সুযোগ ও দিকনির্দেশনা পেলে নারীরা শুধু নিজেদেরই নয়, সমাজ ও দেশের অর্থনীতিকেও এগিয়ে নিতে পারেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের দিন। নারী ও কন্যাশিশুর জন্য বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।



সভাপতির বক্তব্যে লুবানা ইয়াসমীন শম্পা বলেন, “নারীরা আর পিছিয়ে নেই। আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করছেন। সিলেট উইমেন চেম্বার নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে আমাদের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন,একজন শিক্ষিত ও সচেতন নারী শুধু নিজের জীবনই বদলান না, একটি পরিবার এবং একটি প্রজন্মকে আলোকিত করেন। তাই নারীর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগই হচ্ছে দেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ। লুবানা বলেন. নারীরা সুযোগ পেলে যে কোনো ক্ষেত্রেই সফল হতে পারেন। প্রয়োজন শুধু সাহস, সহযোগিতা এবং একটি সহায়ক পরিবেশ। সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।


সভায় উইমেন চেম্বারের পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাইমা সুলতানা চৌধুরী, রেহেনা ফারুক শিরিন, তাহমিনা হাসান চৌধুরী, আসমা উল হাসনা খান, শাহানা আক্তারসহ চেম্বারের সদস্যরা।

সজল আহমদ

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad