মৌলভীবাজারে দেওড়াছড়া চা বাগানে ৯৫৫০ কেজি ‘গান্ধা’ চা পাতা বিক্রির অভিযোগ
Led Bottom Ad

তদন্ত করছে কাস্টমস

মৌলভীবাজারে দেওড়াছড়া চা বাগানে ৯৫৫০ কেজি ‘গান্ধা’ চা পাতা বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলগঞ্জ

২১/০২/২০২৬ ১৭:৪৫:৫৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের দেওড়াছড়া চা বাগানে প্রায় ৯ হাজার ৫৫০ কেজি নিম্নমানের বা ‘গান্ধা’ চা পাতা বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। মৌলভীবাজার কাস্টমস বিভাগ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাগানের নথিপত্র জব্দ করে তদন্ত শুরু করেছে।


স্থানীয়ভাবে ‘গান্ধা’ নামে পরিচিত এসব পাতা মূলত অতিরিক্ত গাঁজন বা পচনের কারণে দুর্গন্ধযুক্ত ও নিম্নমানের হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পাতা সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাত না করলে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা চা তৈরি হলে স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।


শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, গত ২৬ জানুয়ারি ফ্যাক্টরি পরিষ্কারের পর এসব পাতা বাইরে বিক্রি করা হয়েছে। পূর্বে এসব পাতা ফেলে দেওয়া হতো, কিন্তু চলতি বছর তা বিক্রি করা হয়েছে। শ্রমিকরা বলেন, পাতা বাবু নুর মোহাম্মদের মাধ্যমে ওজন করে পিকআপ ভ্যানে পাঠানো হয়েছে, লিখিত অনুমতি দেখানো হয়নি। পাশাপাশি তারা পাওনা বেতন পরিশোধে অনিয়মের কথাও তুলে ধরেছেন।


ফ্যাক্টরি স্টাফ মো. নুর মিয়া বলেন, “ম্যানেজারের নির্দেশে পাতা ওজন করেছি। পরে একটি পিকআপ ভ্যান এসে তা নিয়ে গেছে।” স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশিদ বলেন, বিষয়টি জানার পর তারা অনিয়মের তথ্য পেয়ে প্রতিবাদ করছেন।


অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার জহিরুল হক বলেন, “টি বোর্ডের মৌখিক অনুমতি নিয়ে ৪ হাজার কেজি পাতা জৈব সার তৈরির জন্য বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রির ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা হিসাব অনুযায়ী জমা দেওয়া হয়েছে। কোনো দুর্নীতি হয়নি, একটি পক্ষ আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে। বাকি পাতা কম্পোস্ট সার তৈরির জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।”


মৌলভীবাজার কাস্টমস বিভাগের কর্মকর্তা সৌরভ দত্ত বিজয় জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নথিপত্র জব্দ করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।


শ্রমিক ও স্থানীয়রা এখন তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad