প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফর: উৎসবের আমেজে প্রস্তুত নগরী
নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে পুরো আধ্যাত্মিক নগরজুড়ে এখন সাজ সাজ রব। আগামী ২ মে নির্ধারিত এই সফরকে সামনে রেখে প্রশাসন, সিটি করপোরেশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে সিলেটজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
সফরকে ঘিরে সিলেট নগরের প্রধান সড়ক ও মোড়গুলো নতুন করে সাজানো হচ্ছে। রাস্তা মেরামত, সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরা। বিশেষ করে সিলেট সার্কিট হাউস এলাকায় চলছে ধোয়া-মোছার কাজ। সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর তাঁর বাসিয়া নদী পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে, যা স্থানীয় কৃষি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ক্রীড়া কার্যক্রম এবং একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধনের সম্ভাবনা রয়েছে। নগরবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে চাঁদনীঘাট এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের উদ্বোধনও এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ।
সফরের রাজনৈতিক গুরুত্বও অপরিসীম। সিলেট শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন তারেক রহমান। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, “সিলেটবাসী অধীর আগ্রহে দেশনায়ককে বরণ করতে প্রস্তুত। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার সিলেটে আসছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।”
নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ছাড় দিচ্ছে না প্রশাসন। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে পুরো নগরীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সভাস্থলসহ নির্দিষ্ট এলাকায় ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: