মৌলভীবাজারে ৫ বছরে বিলীন ৭০০ একর আবাদি জমি
Led Bottom Ad

কৃষিজমি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের মহোৎসব

মৌলভীবাজারে ৫ বছরে বিলীন ৭০০ একর আবাদি জমি

নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

২০/০২/২০২৬ ১২:১৮:২২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় তিন ফসলি কৃষিজমি ভরাট করে বসতবাড়ি ও দোকানপাট নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে কমলগঞ্জের পতনঊষার-ভানুগাছ সড়কের পাশে অসংখ্য কৃষিজমি ভরাট করে ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। ভূমি ব্যবহার ও সেচ পরিসংখ্যান জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গত পাঁচ বছরে জেলায় প্রায় ৭০০ একর কৃষিজমি কমেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শুধু কমলগঞ্জ নয়, জেলার সাতটি উপজেলাসহ হাকালুকি, হাইল ও কাউয়াদিঘী হাওর এলাকাতেও কৃষিজমি ভরাটের এই ‘মচ্ছব’ চলছে। অনেক জমির মালিক আবার উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছেন এবং সেই নিচু জমি ভরাট করে বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ছেন।

জমির মালিকদের দাবি, চাষাবাদে লাভ না হওয়ায় এবং জমির দাম বৃদ্ধি ও ভাড়ার আশায় তারা ফসলি জমি ভরাট করছেন। তবে কৃষি ও পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এভাবে জমি কমতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ ও কৃষি অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যেকোনো স্থাপনা নির্মাণে স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না।

মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানান, উচ্চ ফলনশীল জাতের কারণে খাদ্য উৎপাদনে তাৎক্ষণিক বড় প্রভাব না পড়লেও কৃষিজমি রক্ষা করেই স্থাপনা তৈরি করা উচিত। প্রচলিত আইন অনুযায়ী কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের আগে অনুমতির বিধান থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা নেই বললেই চলে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad