সিলেটের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
Led Bottom Ad

অবৈধ সম্পদ ও তথ্য গোপনের অভিযোগ

সিলেটের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

০৮/১২/২০২৫ ২০:৫৭:০০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে তা জমা না দেওয়ায় দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় এ মামলা করা হয়।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রাফি মোহাম্মদ নাজমুস সাদাত মামলাটি (নং-০৪, সিলেট মহানগর) দায়ের করেন।

দুদকের এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অনুসন্ধানে নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত সাবেক মেয়রের নির্বাচনী হলফনামা যাচাই করে দেখা গেছে— লন্ডনে তার নামে থাকা ৪,০০০ বর্গফুটের একটি বাড়ি ও ১,৮০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের তথ্য তিনি গোপন করেছেন। এ ছাড়া পূর্বাচলে রাজউক বরাদ্দকৃত ৫ কাঠা জমির তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি।

আয়কর রিটার্ন (২০২২–২০২৫) অনুযায়ী আনোয়ারুজ্জামানের ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৪,৪৪,০৯৮ টাকা। কিন্তু এই সম্পদের উৎস সম্পর্কে কোনো গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ দুদক পায়নি।

আয়কর হিসেবে গ্রহণযোগ্য পাওয়া গেছে— পারিবারিক ব্যয়: ১৩,২৫,০০০ টাকা, মেয়র হিসেবে বেতন-ভাতা: ১০,৫৩,০০০ টাকা। এতে তার অগ্রহণযোগ্য নীট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৩,৪৪,০৯৮ টাকা, যা দুদকের মতে অবৈধভাবে অর্জিত।

দুদক জানায়, সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ প্রদানকালে কর্মকর্তারা তার বাসা তালাবদ্ধ দেখতে পান। নিয়ম অনুযায়ী উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বাসার গেটে সম্পদ বিবরণীর মূল ফরম ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে ওই ঠিকানায় থাকেন না এবং তার স্থায়ী আবাস ও ব্যবসা লন্ডনে।

মামলার বিষয়ে দুদক সিলেট কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বলেন, “নির্ধারিত সময়ে সম্পদের তথ্য না দেওয়ায় কিংবা সময় বৃদ্ধির আবেদন না করায় কমিশনের অনুমোদনে নন-সাবমিশন মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।”


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad