ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতি, স্থবির সেতু-কালভার্ট নির্মাণ
Led Bottom Ad

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতি, স্থবির সেতু-কালভার্ট নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিনিধি., নবীগঞ্জ

২১/০৯/২০২৫ ১৯:২৪:২৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেন করার কাজ শুরু হয়েছে দুই বছর আগে। নবীগঞ্জের শেরপুর থেকে বাহুবল মীরপুর পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার অংশে নির্মাণাধীন ১০টি সেতু ও ৫০টির বেশি বক্স কালভার্টের কাজ হঠাৎ থমকে গেছে। এতে পাহাড়ি এলাকার পানি আটকে পড়ায় অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতার শঙ্কায় কয়েক লাখ মানুষ।


স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কের ডিভাইডারে পানি আটকে পড়ছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টি হলেই পানি গড়িয়ে নেমে আসছে ঘুঙ্গিয়াজুড়ি হাওরে। কিন্তু কাজ বন্ধ থাকায় পানিনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে কৃষিজমি ও জনবসতিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।


দেবপাড়া গ্রামের কৃষক রহিম উল্লাহ বলেন, ‘মহাসড়কে নির্মাণাধীন সেতু-কালভার্ট দ্রুত শেষ না হলে বর্ষায় ভয়াবহ বিপর্যয় হবে। ডিভাইডার কেটে না দিলে ফসলি জমি ডুবে যাবে।’


পানিউমদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান বলেন, ‘সেতু ও কালভার্টের কাজ বন্ধ থাকায় মহাসড়ক এখন মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাহাড়ি পানির নামার বিকল্প পথ না থাকায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।’


দেবপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহরিয়াজ সুমন জানান, বিজনা ও করাঙ্গী নদীর দুটি সেতুর কাজ ছাড়া সব কাজ বন্ধ। অথচ এ এলাকায় পানি নিস্কাশনের জন্যই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। পরিকল্পনা ছাড়া কাজ বন্ধ হওয়ায় কৃষকরা উদ্বিগ্ন।


স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, অনেক স্থানে যেখানে পানিপ্রবাহ নেই সেখানেও কালভার্ট নির্মাণ হচ্ছে, আবার প্রয়োজনীয় জায়গায় কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।


এ বিষয়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপক সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘সব সেতু-কালভার্ট পরিকল্পনা করেই করা হচ্ছে। শ্রমিক সংকটের কারণে কাজ সাময়িক বন্ধ আছে। বর্ষায় পানি জমলে ডিভাইডার কেটে দেওয়া হবে এবং দ্রুততম সময়ে কাজ শেষ করা হবে।’


মহাসড়কের এই স্থবির উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন না হলে বর্ষা মৌসুমে নবীগঞ্জ-বাহুবল অঞ্চলের কৃষক ও সাধারণ মানুষকে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার মুখে পড়তে হবে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad