অপ্রতিরোধ্য সেই ‘ডিফজল’ : সুরমা নদীতে চলছে অব্যাহত বালু উত্তোলন
Led Bottom Ad

অপ্রতিরোধ্য সেই ‘ডিফজল’ : সুরমা নদীতে চলছে অব্যাহত বালু উত্তোলন

তাহির আহমদ

২১/০৯/২০২৫ ১৫:৫৬:৫১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটর জেলা প্রশাসকের নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে সুরমা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। ফলে এলাকার জনসাধারণ ক্ষুব্দ হয়ে পড়েছেন রোববার (২১ সেপ্টেমবর) জেলার কানাইঘাট ও জকিগন্জ উপজেলারবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবরে এ অভিযোগ করা হয়েছে।


জানা গেছে, সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক সরওয়ার আহমদ গত ২৬ আগস্ট এক আদেশে (নং ১৯-২৭) সিলেট জেলার সর্বত্র অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এই নিষেধাজ্ঞা  মান্য করে সিলেট জেলার সব ক'টি নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ হলেও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি সুরমা নদী থেকে। 


অভিযোগে প্রকাশ,সিলেট নগরীর আখালিয়ার বর্তমান বাসিন্দা ও কানাইঘাট উপজেলার বড়বন্দ এলাকার জনৈক মিজানুর রহমান ওরফে ডিপজল সুরমা নদীর কানাইঘাট- জকিগন্জ বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে বালু-মাটি উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন।


নদীর প্রায় ৭০ একর ইজারা অযোগ্য এলাকা থেকে ২০/২৫ টি নিষিদ্ধ সাকশান ড্রেজার ও বাল্কহেড দিয়ে নদীর দুই ধার থেকে অবৈধ ভাবে বালু-মাটি লুটপাট করছেন মিজান। উত্তোলিত লাখ লাখ ঘনফুট বালু-মাটি বিক্রি করে তিনি  অবৈধভাবে কামাই করছেন কোটি কোটি টাকা। ফলে সুরমা নদীর কানাইঘাট-জকিগঞ্জ এলাকার উভয় তীরে ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ভরা সুরমা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি কৃষিজমি ও সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা। পাউবো'র সুরমা ডাইকের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে প্রচুর ফাটল। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তুলনামূলক নিচু এই দুই উপজেলা। 


অনুসন্ধানে জানা গেছে, সুরমা নদী থেকে ব্যাপক আকারে বালু-মাটি উত্তোলনের কোনো ইজারা বা অনুমতি মিজানুর রহমান ডিপজলের নেই। শুধুমাত্র জকিগঞ্জ উপজেলার জেএল ০৮ নং মৌজায় 'সুরমা নদী (নয়াগাঁও)' নামে মাত্র ২.৫০ (আড়াই) একরের একটি মহালের ইজারা নিয়েছেন মিজান। এটা দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে কানাইঘাট জকিগঞ্জ দুই উপজেলাধীন সুরমা নদীর বিশাল আয়তন এলাকার বালু-মাটি লুটে নিচ্ছেন মিজান।


জেলা প্রশাসক বরাবরে দেওয়া আবেদনে  দুই উপজেলার জনসাধারণ তাদের ঘরবাড়ি কৃষিজমি এবং সরকারী-বেসরকারি স্থাপনা রক্ষায় সুরমা নদীর কানাইঘাট-জকিগঞ্জ এলাকা থেকে অবিলম্বে অবৈধ বালু-মাটি উত্তোলন বন্ধ এবং 'লুটেরা' মিজানুর রহমান ডিপজলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানিয়েছেন।


জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad