সিলেটে ‘ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েট’ এর বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে প্রতারণা

সিলেটে ‘ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েট’ এর বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১১/০৯/২০২৬ ২৩:৪১:০৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

যুক্তরাজ্যে ওয়ার্ক পারমিটে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিলেটে অন্তত ৫০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েট’ নামের একটি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার বিরুদ্ধে। অর্থ আত্মসাতের পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় তালাবদ্ধ করে সংশ্লিষ্টরা গা ঢাকা দিয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থানের আশায় তারা ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওয়ার্ক পারমিটের মাধ্যমে দ্রুত ভিসা মিলবে—এমন আশ্বাসে আস্থা রেখে প্রত্যেকে ৩০ থেকে ৩১ লাখ টাকা করে জমা দেন। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ভিসা প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরে পাওনা টাকা ফেরত কিংবা ভিসার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

একপর্যায়ে গ্রাহকেরা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে গিয়ে সেটি বন্ধ পান। মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কারোর সাড়া মেলেনি। উপরন্তু, পাওনা আদায়ে চাপ দেওয়ায় কয়েকজনকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রতারণার প্রতিকার চেয়ে ইতোমধ্যে ৯ জন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে সিলেটের স্থানীয় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েটের মোসাররফ, সোমা ঘোষ কেয়া, মোস্তাফিজ, সাদ ও মীমসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে একই দাবিতে গত ২১ জুন সিলেটে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেন প্রতারিতরা। সেখানেও সুরাহা না হওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করে বিষয়টি অবহিত করেন তারা। অভিযোগ শোনামাত্রই মন্ত্রী র্যা ব-৯-এর অধিনায়ককে ফোন করে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধার এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad