হবিগঞ্জ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র রাশেদার পদত্যাগ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলার শাখার মুখপাত্র রাশেদা বেগম পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। মঙ্গলবার (০৩ জুন) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফেসবুকে পোস্টে এ ঘোষণা দেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু থেকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাশেদা বেগম। আন্দোলন চলাকালে তার উপর হামলার ঘটনাও ঘটে। তারপরও তিনি আন্দোলন ছেড়ে যাননি। কিন্তু তার আকস্মিক পদত্যাগের ঘোষণায় হতম্বভ হয়ে পড়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জের সাধারণ নেতাকর্মীরা।
এ ব্যাপারে রাশেদা বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক এবং আমার সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্য পদত্যাগ করেছি। এছাড়াও সামনে বিসিএস পরীক্ষা দেব তাই লেখাপড়ার মনোযোগ দিতে চাই।
এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলার শাখার সদস্য সচিব মাহাদী হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মুখপাত্র রাশেদা বেগমের পদত্যাগের বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে সে আমাদের কাছে কোনো পদত্যাগ পত্র দেয়নি। তাই এ সম্পর্কে কিছু বলতে পারব না।
পাঠকদের জন্য রাশেদা বেগমের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল-
জরুরি নোটিশ:
“আমার নাম রাশেদা বেগম,আমি আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে আমার সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পড়াশোনা কন্টিনিউ চালিয়ে যাওয়ার নিমিত্তে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন,হবিগঞ্জ জেলা শাখার "মুখপাত্র" পদ থেকে প্রাথমিকভাবে অনলাইনে স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে পদত্যাগ করিলাম।আজকের পর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, হবিগঞ্জ জেলা শাখা কমিটির কোন ধরনের কার্যক্রমের সাথে আমি সংযুক্ত নই। লাউড এন্ড ক্লিয়ার।
বর্তমানে আমি ঢাকা অবস্থান করায় প্রেস ব্রিফিং করা সম্ভব হয়নি। আমার ঢাকার কার্যক্রম পরিশেষে হবিগঞ্জ পৌছেই প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে লিখিত আকারে আমার পদত্যাগের বিষয় টি সর্বস্তরে জানিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ।
আমি বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে পূর্বে বা বর্তমানে যুক্ত নই।ভবিষ্যতে ও কোন রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আশংকা আমার নাই।কোন রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে আমি আমার দেশ ও মানবসেবার কাজে নিয়োজিত থাকতে চাই।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
নোটঃ আমার পদত্যাগের বিষয়ে কোন প্রকারের মিথ্যা গুজব বা বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ রইলো।”
সজল আহমদ
মন্তব্য করুন: