কমলগঞ্জে ছিনতাই মামলার প্রধান আসামী ‘বটলা সেলিম’ গ্রেপ্তার

কমলগঞ্জে ছিনতাই মামলার প্রধান আসামী ‘বটলা সেলিম’ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি, কমলগঞ্জ

০৪/০৭/২০২৬ ২৩:১৪:৪৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর শাখার পূবালী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে চাঞ্চল্যকর ছিনতাইয়ের ঘটনার রহস্য উন্মোচন করলো পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী সেলিম আহমদ ওরফে ‘বটলা সেলিম’ (৩৮)-কে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই মৌলভীবাজার জেলা শাখা। শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ২টায় পিবিআই মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. জাফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 


গত ২২শে জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কমলগঞ্জর শমশেরনগর শাখা পূবালী ব্যাংক থেকে রেহেনা বেগম (৫১) নামে এক নারী ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা উত্তোলন করে সিএনজিযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে আলীনগর চা বাগান ফ্যাক্টরির দক্ষিণ দিকে কালী মন্দিরের সামনে পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে আসা চারজন তার পথরোধ করে। তারা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা ও চেকবহি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রেহেনা বেগম পরদিন ২৩শে জুন কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা (মামলা নং-১০, ধারা-৩৯২ পেনাল কোড) দায়ের করেন।


মামলাটি পিবিআই মৌলভীবাজার এর ওপর ন্যস্ত হওয়ার পর তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মূল হোতা অনিক ওরফে ‘বটলা সেলিম’-কে শনাক্ত করে। এরপর পিবিআই মৌলভীবাজারের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত লাল রঙের মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়েছে, তাও ভুক্তভোগী শনাক্ত করেছেন।


এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই মৌলভীবাজার এর পুলিশ সুপার মো. জাফর হোসেন (পিপিএম-সেবা) জানান, গ্রেপ্তারকৃত ‘বটলা সেলিম’-এর বিরুদ্ধে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে অন্তত ৯টি মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ছিনতাইয়ের ঘটনার সাথে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকারোক্তি দেয়।


পিবিআই মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার আরও জানান, ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।


মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন: