মৌলভীবাজারে তিনশো পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ, গ্রেপ্তার ২

মৌলভীবাজারে তিনশো পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল

০৮/০৯/২০২৬ ১৬:১৫:২৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা ৩০০ (তিনশত) পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দকৃত শাড়ির আনুমানিক মূল্য ১৩,৫০,০০০/- (তের লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে  শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, শ্রীমঙ্গল থানাধীন ০৪নং সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের জাম্বুরাছড়া এলাকায় জনৈক লেহেন খাড়িয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে কতিপয় ব্যক্তি চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে আনা বিদেশি শাড়ি নিয়ে অবস্থান করছে।

প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ, শ্রীমঙ্গল থানাকে অবহিত করে এসআই (নিরস্ত্র)/মোঃ ইমানুর হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সুমন মিয়া (২৬), পিতা-মৃত কুতুব উদ্দিন, সাং-জাম্বুরাছড়া, ০৪নং সিন্দুরখাঁন ইউপি, থানা-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজার এবং তারেক মিয়া (২৬), পিতা-আব্দুল সাত্তার, সাং-জাম্বুরাছড়া, ০৪নং সিন্দুরখাঁন ইউপি, থানা-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজারকে আটক করে।

পরবর্তীতে আটককৃত আসামিদের দেখানো মতে ঘটনাস্থলের পরিত্যক্ত ঘর থেকে পলিথিনে মোড়ানো ১৬টি বান্ডিল উদ্ধার করা হয়। বান্ডিলগুলো খুলে গণনা করে বিভিন্ন রঙের মোট ৩০০ (তিনশত) পিস ভারতীয় শাড়ি পাওয়া যায়। প্রতিটি শাড়ির আনুমানিক মূল্য ৪,৫০০/- টাকা হিসেবে জব্দকৃত শাড়ির মোট মূল্য ১৩,৫০,০০০/- (তের লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা জানায়, তারা নিকটবর্তী ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে পলাতক আসামিদের সহায়তায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে শাড়িগুলো বাংলাদেশে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে বিভিন্ন মার্কেটের দোকানে অধিক মূল্যে বিক্রয় করে থাকে।

অভিযানকালে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তারকৃত ২ জন এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশি পণ্য বাংলাদেশে এনে চোরাচালানের অভিযোগে The Special Powers Act, 1974-এর ২৫-বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় নিয়মিত মামলা রুজুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad