সম্মাননা পেলেন ৭০ জন
শ্রীমঙ্গলে প্রথমবারের মতো ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড’
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চায়ের জনপদ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ড’। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও পরিবেশবান্ধব গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মনোনীত ও অংশগ্রহণকারী প্রায় ৭০ জন কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান।
সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পলাশ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক নির্মল এস পলাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নাজিম আল কোরাশী রাফাত।
এবারের প্রতিযোগিতায় ‘ন্যাচারাল অ্যান্ড লাইফস্টাইল’ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন ইউসুফ শাহরিয়ার, মো. আল আমিন ইসলাম, ফাহিম আহমেদ, রোকসানা আফরিন শিমু, তানভীর আহমেদ, শিশির ধর, রাদিয়ান হোসেন ও মো. শহিদ। ‘এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড কমেডি’ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন দীপ চক্রবর্তী। ‘ফুড অ্যান্ড রেসিপি’ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন কাজী ফয়সাল আহমেদ রিয়াদ এবং ‘আদার্স (অন্যান্য)’ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন মো. ফারহান তানভীর ফাহিম।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহিবুল্লাহ আকন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিদ্দিকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান চৌধুরী তুহিন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মোছাব্বির আলী মুন্না এবং শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ আবুজাফর সালাউদ্দিন।
আয়োজকরা জানান, গত ২৫ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম চলে। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রকাশ করা হয়। এরপর ২ মে বিকেল ৫টা থেকে ৬ মে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনলাইনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে ১১ জনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আয়োজক ও ‘চায়ের জনপদ’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মো. তোফায়েল আহমেদ (পাপ্পু) বলেন, ‘চায়ের জনপদ স্থানীয় একটি ডিজিটাল মিডিয়া হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শ্রীমঙ্গলের ইতিবাচক সংবাদ, ঐতিহ্য, পর্যটন ও সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। ইতিবাচক, তথ্যভিত্তিক ও সৃজনশীল কনটেন্ট নির্মাতাদের উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন। ভালো ও দায়িত্বশীল কনটেন্ট সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই কনটেন্ট নির্মাতাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি একটি ইতিবাচক কনটেন্ট সংস্কৃতি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। প্রথম আয়োজনেই যে সাড়া পেয়েছি, তাতে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিয়মিত এ আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: