সিলেটে গণঅবস্থান কর্মসূচীতে উইমেন চেম্বারের সংহতি প্রকাশ
দেশে নির্বাচিত সরকার না থাকায় নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত সিলেট। এই সমস্যা দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। অথচ অবকাঠামোগত সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য দেশের বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে একের পর এক বরাদ্ধসহ উন্নয়ন কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। সেই দিক থেকে সিলেট হচ্ছে ক্রমাগত বঞ্চনার শিকার। উন্নয়ন বৈষম্যের বৈপরিত্য আচরণে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে সিলেটবাসীর। এই অবস্থায় সিলেটের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী ডাক দিলেন আন্দোলনের। বঞ্চিত সিলেটবাসীর এই যৌক্তিক আন্দোলন এখন ছড়িয়ে পড়েছে দেশে-বিদেশে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরীর নের্তৃত্বে ‘সিলেট আন্দোলন’ কর্মসূচী পালন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (২ নভেম্বর) সিলেটে পালিত হবে সর্বাত্বক অবস্থান কর্মসূচী।
এদিকে আজকের অবস্থান কর্মসূচীর প্রতি একাত্বতা প্রকাশ করেছেন সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা বলেন, ‘সিলেট এখন অভিভাবক হীনতায় ভোগছে। যে কারণে পাহাড়সম সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এরই বিরুদ্ধে সিলেট উইমেন চেম্বারের অবস্থান। তিনি বলেন, সিলেট উইমেন চেম্বার মনে করে- উন্নয়নের ক্ষেত্রে সিলেট দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার। ফলে সিলেটের উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণের এই আন্দোলন সম্পূর্ণ যৌক্তিক। তিনি বলেন, সিলেট উইমেন চেম্বার সবসময় সিলেট ও সিলেটের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। তাই সিলেটবাসীর যেকোন যৌক্তিক দাবি-দাওয়া আদায়ে উইমেন চেম্বারের অবস্থান জানান দিতেই ঘোষিত কর্মসূচীতে আমরা সংহতি প্রকাশ করছি।
পরিষদের সহ-সভাপতি আলেয়া ফেরদৌসি তুলি বলেন,`সিলেটের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি। এই দাবি আদায়ে উইমেন চেম্বার সিলেটবাসীর পাশে থেকে সকল ধরণের আন্দোলন কর্মসূচীর প্রতি একাত্বতা প্রকাশ করে যাবে। তিনি অবস্থান কর্মসূচীতে সকল শ্রেণীপেশার মানুষকে যুক্ত থেকে সিলেটবাসীর দাবি আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করার অনুরোধ জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে চেম্বারের পক্ষ থেকে সিলেটবাসী ও ব্যবসায়ী সমাজকে এই ন্যায্য দাবির আন্দোলনে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
রোদ্দুর রিফাত
মন্তব্য করুন: