খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর মামলায় আ.লীগ নেতা কারাগারে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফেনী জেলা সহ-সভাপতি ও ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিনকে (৬৬) গ্রেপ্তার করেছে ফুলগাজী থানা পুলিশ।
২০১৮ সালে ফুলগাজীতে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, তৎকালীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ফুলগাজী থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় দিকে ফুলগাজী উপজেলার ঘনিয়ামোড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা।
পরে ২০১৮ সালে ফুলগাজীতে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, তৎকালীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পোড়ানোর ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে হাজী জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর গতকাল সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আব্দুল কাদের জিলানী নামে দরবারপুরের এক বিএনপি নেতা বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় এ মামলা করেন। মামলায় ১৫৮ জন এজাহারনামীয় ও আরও ১৫০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার বাদী আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, এই মামলায় গ্রেপ্তার হাজী জামাল উদ্দিনকে আমি চিনি না। তার বাড়ি কোথায়? আমি তাকে দেখিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে ‘হাজী জামাল’ নামে পরিচিত জামাল উদ্দিন ঘনিয়ামোড়া এলাকার মৃত ননু মিয়ার ছেলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে হাজী জামাল উদ্দিন ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আলিম দলটির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। হাজী জামাল উদ্দিন ফেনী জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
পূজা বাড়াইক/প্রসি-২৬
মন্তব্য করুন: