সপ্তাহের শেষে বিমান টিকিটের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

সপ্তাহের শেষে বিমান টিকিটের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

প্রথম ডেস্ক

২৬/০৬/২০২৬ ১০:৫৯:৩৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সপ্তাহের শেষ দুই দিনে অভ্যন্তরীণ বিমান টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্যরা। একই সঙ্গে টেলিযোগাযোগ খাতে সরকারের বিপুল বকেয়া আদায় এবং অব্যবহৃত ইন্টারনেট ডেটার অর্থ গ্রাহকদের ফেরত দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করেন নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। পরে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।


জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের কাছে সরকারের প্রায় ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য এ বিপুল রাজস্ব দ্রুত আদায় করা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।


তিনি আরও বলেন, গ্রাহকরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনলেও মেয়াদ শেষে অব্যবহৃত ডেটা ও অর্থ অপারেটরদের কাছে থেকে যায়, যা ভোক্তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণের শামিল।


বিমান ভাড়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, সপ্তাহের অন্যান্য দিনে যে টিকিটের মূল্য দুই হাজার ৮০০ থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে থাকে, বৃহস্পতিবার সেটির দাম বেড়ে প্রায় ১০ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়। এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


জয়নুল আবদিন ফারুকের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বিমান টিকিটের ওপর চলমান ‘জুলুম’ বন্ধে তিনি আগেও সংসদে নোটিস দিলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানান তিনি।


এ সময় তিনি আরও বলেন, টেলিফোন কোম্পানির পাশাপাশি সাবেক অনেক সংসদ সদস্যের কাছেও টেলিফোন বিল ও সরকারি বাড়িভাড়ার বকেয়া রয়েছে। জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এসব পাওনা দ্রুত আদায়ে সংসদের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।


সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব বিষয়ে যথাযথ বিধি অনুসরণ করে নোটিস জমা দিলে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ দেওয়া হবে।

সজল আহমেদ / প্রীতম দাস

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad