শ্রীমঙ্গল-শমশেরগঞ্জ সড়ক: ২২ কিলোমিটারের দুর্ভোগ গিয়ে জমেছে পাঁচ কিলোমিটারে
Led Bottom Ad

শ্রীমঙ্গল-শমশেরগঞ্জ সড়ক: ২২ কিলোমিটারের দুর্ভোগ গিয়ে জমেছে পাঁচ কিলোমিটারে

নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

৩০/০৩/২০২৬ ০৯:৫০:১২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবী পয়েন্ট থেকে সদর উপজেলার শমশেরগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের মাত্র ৫ কিলোমিটার অংশ এখন হাজারো মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের বাকি অংশগুলো সংস্কার করা হলেও শ্রীমঙ্গল এলজিইডি অফিসের তত্ত্বাবধানে থাকা মির্জাপুর বাজারের পশ্চিম দিক থেকে যাত্রাপাশা গ্রাম পর্যন্ত এই ৫ কিলোমিটার অংশ তিন বছর ধরে অবহেলিত। বৃষ্টির মৌসুম শুরু হতেই সড়কের পাঁচটি পয়েন্টে হাঁটু সমান পানি ও কাদা জমে থাকায় পথচারী, স্কুলগামী শিক্ষার্থী এবং যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভুনবী ও শমশেরগঞ্জের দুই প্রান্তের রাস্তা মসৃণ থাকলেও মাঝখানের এই ভাঙাচোরা অংশে প্রতিনিয়ত বিকল হচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও টমটমের যন্ত্রাংশ, যার ফলে চালকরা এ পথে চলতে অনীহা প্রকাশ করছেন এবং যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও হাইল হাওর রক্ষা আন্দোলনের নেতা আব্দুস সোবহান জানান, কাদা-পানির কারণে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা প্রায়ই মাঝপথ থেকে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের অভিযোগ, ২০২০-২১ সালে পুরো সড়ক সংস্কার করা হলেও রহস্যজনক কারণে মাঝের এই ৫ কিলোমিটার অংশ বাদ রাখা হয়েছিল। এই সড়কটি শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার সদর এবং হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রকৌশলী ইউসুফ হোসেন খান জানিয়েছেন, এই ৫ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য প্রকল্প অনুমোদনের অনুরোধ জানিয়ে বছর দেড়েক আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে; অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad