মধ্যনগরে পাহাড়ি ঢলে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে ডুবছে হাওর
Led Bottom Ad

মধ্যনগরে পাহাড়ি ঢলে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে ডুবছে হাওর

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২৮/০৪/২০২৬ ১৫:৪৪:৫৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

​সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার এরনবিল (ইকরাছই) হাওরে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। নেত্রকোনার দুর্গাপুর হয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র চাপে মনাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হামিদপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামীণ সড়ক ভেঙে এই পানি হাওরে প্রবেশ করছে। এতে হাওরের অবশিষ্ট ফসলি জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।


কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইকরাছই হাওরে মোট ১১৪ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। এর মধ্যে কৃষকরা এখন পর্যন্ত ৪০ হেক্টর জমির ধান সফলভাবে ঘরে তুলেছেন। তবে পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট এই আকস্মিক ভাঙনে প্রায় ৫ থেকে ১০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। বর্তমানে হাওরের বাকি ধান রক্ষা করাই এখন স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ জানান, যে সড়কটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করছে, সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বাঁধ নয়। এটি একটি গ্রামীণ সড়ক। নেত্রকোনার দুর্গাপুর এলাকা দিয়ে নেমে আসা প্রবল পাহাড়ি ঢলের কারণে মনাই নদীর পানির চাপ সহ্য করতে না পেরে সড়কটির একটি অংশ ভেঙে গেছে।


​তিনি আরও বলেন, "আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। যদিও অধিকাংশ জমির ফসল ইতিমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে, তবুও অবশিষ্ট ফসল রক্ষার জন্য স্থানীয় জনতা ও প্রশাসন মিলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।


হাওর এলাকার কৃষকরা জানান, পাহাড়ি ঢল আসার সময়টি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ। গত কয়েকদিন ধরে উজানের ঢলে নদীর পানি বাড়ায় তারা আগে থেকেই সতর্ক ছিলেন। সড়ক ভেঙে পানি ঢোকায় এখন অবশিষ্ট পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলতে তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে ভাঙন মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি না ঘটে।


​সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

প্রীতম দাস

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad