মৌলভীবাজারে মুরগির বাজারে আগুন
Led Bottom Ad

ব্রয়লার ও সোনালির দাম সাধারণের নাগালের বাইরে

মৌলভীবাজারে মুরগির বাজারে আগুন

নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

২৩/০৩/২০২৬ ২২:১৩:৪০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলাজুড়ে মুরগির বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। রমজানের শেষ সময় থেকে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ব্রয়লার ও সোনালিসহ সব ধরনের মুরগির অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। গরুর মাংসের দাম আগে থেকেই চড়া থাকায় সাধারণ মানুষের শেষ ভরসা ছিল ব্রয়লার মুরগি, কিন্তু বর্তমানে তার দামও আকাশচুম্বী।

সরেজমিন মৌলভীবাজার পৌর শহর, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগের দিন থেকে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২১০ থেকে ২৩০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ রমজান শুরু হওয়ার আগে ব্রয়লার ১৫০-১৬০ টাকা এবং সোনালি ২৩০-২৫০ টাকায় বিক্রি হতো। এছাড়া লাল পাকিস্তানি মুরগি প্রতি পিস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।

বাজারে আসা ক্রেতারা এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।শ্রীমঙ্গলে কেনাকাটা করতে আসা নাজমা আক্তার বলেন, "ঈদের মেহমানদারির জন্য মুরগি কিনতে এসে অবাক হয়েছি; ২ কেজি ওজনের একটি ব্রয়লার মুরগির দাম ৪৪০ টাকা চাচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের পাতে মাংস ওঠা এখন ভাগ্যের ব্যাপার।"

শমশেরনগর বাজারের ক্রেতা হুমায়ুন মিয়া অভিযোগ করেন, চড়া দামের পাশাপাশি বিক্রেতারা ওজনে কম দেওয়া এবং মুরগির ভেতরে পানি ঢুকিয়ে রাখার মতো প্রতারণাও করছেন।

অন্যদিকে, খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির দায় চাপাচ্ছেন পাইকারি ও খামার পর্যায়ের ওপর। ব্যবসায়ী সাহান মিয়া জানান, ঈদের আগে চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ কম থাকায় মূল জায়গা থেকেই দাম বাড়ানো হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, "ব্যবসায়ীরা কৌশলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়েছেন। বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমাদের তদারকি চলছে এবং যারা অতিরিক্ত দামে মুরগি বিক্রি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।"

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad