হাকালুকিতে মাছ লুটের ঘটনা তদন্তে সমন্বয় কমিটি গঠন
Led Bottom Ad

হাকালুকিতে মাছ লুটের ঘটনা তদন্তে সমন্বয় কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি, বড়লেখা

২৯/১১/২০২৫ ১৪:৫২:৩৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় হাকালুকি হাওরের সবচেয়ে বড় জলমহাল ‘হাওরখাল’ বিলে ধারাবাহিক মাছ লুটের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বুধবার রাতে ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা বীরবল কান্তি চৌধুরী অজ্ঞাতনামা ৪০–৫০ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন।


এ ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূমি প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


সভা শেষে হাওরখাল জলমহালের খাস কালেকশন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি)–কে প্রধান করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও গণঅধিকার মঞ্চের নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে মাছ লুটের অভিযোগ থাকা কয়েকজনের নাম কমিটিতে থাকার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।


স্থানীয় সূত্রের দাবি, জলমহালের লিজসংক্রান্ত একটি রিট মামলা বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকায় হাওরখাল বিল খাস কালেকশনে রয়েছে। এই সুযোগে একদল প্রভাবশালী ব্যক্তি ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত তহশিলদারকে ‘ম্যানেজ’ করে নিয়মিত মাছ আহরণ করে বিপুল অর্থ উপার্জন করছেন। গত ১৭ দিনে প্রায় এক কোটি টাকার মাছ তুলে নেওয়া হলেও সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে মাত্র ১৫–১৬ লাখ টাকা।


মঙ্গলবার বিলে মাছ লুটের প্রতিবাদে কয়েক শ মানুষ জড়ো হলে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই সময়ে কয়েকটি মাছবোঝাই নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


ইউএনও গালিব চৌধুরী বলেন, “বিলে মাছ লুটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে এসে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি সভা করেছেন এবং খাস কালেকশন নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করেছেন।”

তাহির আহমদ

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad